1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
‘নিজেরাই বিব্রতকর পরিস্থিতি ডেকে এনেছি’, বিসিসিআইকে তোপ শশী থারুরের - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

‘নিজেরাই বিব্রতকর পরিস্থিতি ডেকে এনেছি’, বিসিসিআইকে তোপ শশী থারুরের

প্রতিনিধি

মুস্তাফিজ ইস্যুতে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর। আবারও বিসিসিআইয়ের দিকে আঙুল তাক করলেন ভারতের এই সাংসদ। মুস্তাফিজকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে কলকাতাকে বিসিসিআইয়ের নির্দেশের পর পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না আসার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বিসিবি। তাদের ম্যাচ অন্যত্র সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠিও দেয় বিসিবি। এতে ‘অবাক’ হননি থারুর।

কংগ্রেসের এই সাংসের মতে, “আমি মনে করি, বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তটা একেবারেই নিন্দনীয়। এটি খেলাধুলার ক্ষেত্রে অযথা রাজনীতি ঢুকিয়ে দেওয়ার শামিল। এ বিষয়ে আমার একাধিক আপত্তি রয়েছে।” বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে ক্রিকেটকে মেশাতে চান না বলে আগেই স্পষ্ট করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ। এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ বোর্ড। এই আবহে শশী থারুর বললেন, ‘এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমরা নিজেরাই নিজেদের ওপর এই বিব্রতকর পরিস্থিতি ডেকে এনেছি।’ প্রসঙ্গত, রোববার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করেছে বিসিবি। সেখানে ভারতে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ’ মেনেই ভারতে না খেলার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

এমন পরিস্থিতির পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিসিসিআইয়ের নির্দেশ। ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’র কথা উল্লেখ করে বিসিসিআই এই সিদ্ধান্ত নেয়, যদিও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার ‘কথিত’ অভিযোগই এই সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে থারুর বলেন, “এটি ক্রিকেটীয় দিক থেকেও কোনো অর্থ বহন করে না। বিসিসিআই নিজেই একটি নিবন্ধিত খেলোয়াড় তালিকা তৈরি করে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে দিয়েছে। যদি মুস্তাফিজ সেই তালিকায় থেকে থাকেন, তাহলে কেকেআরের দোষ কোথায়? বিসিসিআই নিজে যাকে যোগ্য খেলোয়াড় হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, তাকেই পরে নিয়ে আপত্তি তোলা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।”

বর্তমানে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই বৈরী। রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হয় না, এমনকি পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএলেও খেলতে দেওয়া হয় না। তবে থারুর মনে করেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একই দৃষ্টান্ত টানা ভয়ঙ্কর নজির তৈরি করবে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ পাকিস্তান নয়। বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাস পাঠায়নি। দুই দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এক নয়। কূটনৈতিক বাস্তবতা, আলোচনার স্তর—সবকিছুই আলাদা। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে এক পাল্লায় মাপা যায় না।”

বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তে নৈতিক প্রশ্নও তুলেছেন শশী থারুর। তার প্রশ্ন, বাংলাদেশি হিন্দু ক্রিকেটার হলে কি একই আচরণ করা হতো? তিনি বলেন, “ধরা যাক, লিটন দাস বা সৌম্য সরকার—যারা বাংলাদেশ দলের হিন্দু ক্রিকেটার—এবার আইপিএল নিলামে বিক্রি হতেন, তাহলে কি তাদেরও বাদ দেওয়া হতো? যদি না হতো, তাহলে আমরা কী বার্তা দিচ্ছি? আমরা কি মুসলিম বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে, কিন্তু হিন্দু বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে নই?”

থারুর আরও বলেন, “এই খেলোয়াড় কখনো ঘৃণাত্মক বক্তব্য দেননি, কখনো ভারতের বিরুদ্ধে বা বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কথা বলেননি। তিনি শুধুই একজন ক্রীড়াবিদ। তাহলে এখানে শাস্তি পাচ্ছে কে?” তিনি ক্ষোভের সঙ্গে যোগ করেন,“সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষোভের বোঝা কেন শুধু ক্রিকেটকেই বইতে হবে? বাংলাদেশে সঙ্গে ভারতের আরও বহুস্তরের সম্পর্ক রয়েছে—বাণিজ্য, কূটনীতি, সংস্কৃতি। কিন্তু সব চাপ এসে পড়ছে ক্রিকেটের ওপর।” শশী থারুরের ভাষায়, “এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ভেবে–চিন্তে নেওয়া হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চাপে নেওয়া এক ধরনের প্রতিক্রিয়াশীল পদক্ষেপ। এটি আমাদের দেশ হিসেবে ছোট করে, আমাদের কূটনীতিকে ছোট করে, আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ছোট করে।”

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!