ইপেপার / প্রিন্ট
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে অন্তত ১৮ জন নিহত ও অনেকে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “পন্টুনে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে তলিয়ে যায়। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় স্বজনহারা পরিবারগুলোকে গভীর কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। আমরা নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার ও প্রাণহানির ক্ষতি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “দেশে ধারাবাহিকভাবে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। এবারের ঈদযাত্রায় দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া গত বছর মাইলস্টোন স্কুল এলাকায় বিমান দুর্ঘটনা, সম্প্রতি সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা, কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা এবং প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। ফেরিঘাটসহ সার্বিক যাতায়াত ব্যবস্থাকে ঝুঁকিমুক্ত ও আধুনিকায়ন করা জরুরি।”
শিবির সভাপতি ও সেক্রেটারি নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। এছাড়া দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে, কোনো গাফিলতি বা অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলেন।
নেতৃবৃন্দ দেশের মানুষকে নিহতদের জন্য দোয়া এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়ার আহ্বান জানান।