1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
দিল্লির চোখে তারেক রহমান : ‘শত্রুর বন্ধু’ নাকি ‘ভবিষ্যতের অংশীদার’? - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার ৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের দাবি, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার আহ্বান নাহিদের

দিল্লির চোখে তারেক রহমান : ‘শত্রুর বন্ধু’ নাকি ‘ভবিষ্যতের অংশীদার’?

প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচনে জয় পেয়েছে বিএনপি ও তারেক রহমান। তার এ জয় ভারতের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ও কী অর্থ বহন করে— তা সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিতে বিশ্লেষণ করেছেন চন্দ্রশেখর শ্রীনিভাসন।
তিনি লিখেছেন, তারেক রহমান ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন। ওই সময় তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। তিনি প্রথম জনসমাবেশেই যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারকর্মী মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত উক্তির প্রতিধ্বনি করে বলেন ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’।

এখন ভারত, পুরো দক্ষিণ এশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র অপেক্ষা করবে তারেক রহমানের পরিকল্পনাটি কি।
চন্দ্রশেখর বিশ্লেষণে বলেছেন, তারেক রহমানের এ জয়ের বিষয়টি শুক্রবার সকালেই লুফে নিয়েছে ভারত। চীন ও পাকিস্তানের আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের নতুন নেতাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ নিয়ে চীন ও পাকিস্তানের ‘স্নায়ু যুদ্ধে’ এটি খুবই গুরুত্বপর্ণ বিষয় হতে পারে।
মোদি তাদের শুভেচ্ছা বার্তায় বলেছেন, তার সরকার একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করবে।

চন্দ্রশেখরের মতে, তারেক রহমানকে যে শুভেচ্ছা বার্তা মোদি দিয়েছেন সেটি নবনির্বাচিত একজন নেতাকে যে ধরনের বার্তা পাঠানো হয়, তেমনই। কিন্তু এর ভেতর থাকা অন্তর্নিহিত অর্থ স্পষ্ট।

ভারত গত ১৮ মাসের ‘অস্থিরতা’ পেছনে ফেলে আসতে চায়। যারমধ্যে পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্কের কারণে যে অনিশ্চয়তায় তারা পড়েছিল, সেটিও রয়েছে। এছাড়া আছে কথিত সংখ্যালঘু হত্যার বিষয়টিও। ভারত এখন বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল ও কার্যকরী সম্পর্ক গড়তে চায়। যা নিশ্চিত করবে ‘পুরোনো মিত্র’ বাংলাদেশ তাদের পাশেই থাকবে।
ভারত বাংলাদেশের এ নির্বাচন খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছে। কারণ তাদের শঙ্কা— বাংলাদেশের নতুন সরকার কোনদিকে ঝুঁকে পড়ে, তার ওপর দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরের আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এবং তাদের জাতীয় নিরাপত্তা প্রভাবিত হতে পারে।

ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে— কৌশলগত ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিয়ে তিনটি সমস্যা আছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো সম্ভাব্য পাকিস্তান-চীন-বাংলাদেশ জোট। তাদের ধারণা, তারেক রহমান যদি শেখ হাসিনার চেয়ে ভারতকে কম গুরুত্ব দেন এবং ভারতের প্রতি কম বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেন তবে চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের জোট হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হবে।
আর এমন জোট হলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের কর্তৃত্ব কমে যাবে।
এছাড়া ভারতের বিবেচনায় আছে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টি। বিশেষ করে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও শেখ হাসিনার পতনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে ভারত বিদ্বেষী মনোভাবের কারণে ভারত তার নিজের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এরসঙ্গে আছে বাণিজ্যের বিষয়টি। যদিও উপরের বিষয়গুলো থেকে এটি ভারতের জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশ ও ভারত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে একে-অপরের প্রতি এমনিই অনেক নির্ভরশীল।
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল। মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা ‘ভারতপন্থি’ সরকার চালিয়েছেন। যেটি বাণিজ্য, যাতায়াত, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং পানিবণ্টন নিয়ে কাজ করেছে।

যদিও ভারত হাসিনাকেই আবার ক্ষমতায় চাইবে। কিন্তু আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞরা শিকার করেছেন, ভারত সরকার এখন বাংলাদেশের নেতৃত্বের পরিবর্তনটিকে স্বীকৃতি দেয়।

যেহেতু বিএনপি এখন ক্ষমতায়, তাই ভারত এখন অহেতুক চিন্তিত হবে না। তারেক রহমান বলেছেন তিনি ভারতের স্বার্থকে সম্মান করবেন। যা ইঙ্গিত করছে তিনি তার মা খালেদা জিয়ার ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি থেকে সরে এসেছেন।

বাস্তব অর্থে এটি কী হবে এ মুহূর্তে ভারতের জন্য এটি একটি অপেক্ষার খেলা হবে।

তবে ভারতের জন্য সুখবর হলো জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসেনি। কারণ এটি হলে বাস্তবতা তাদের জন্য ভিন্ন হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!