ইপেপার / প্রিন্ট
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সোমবার (১৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি আজকের মধ্যে তাদের দাবি আদায়ে ইসির সদিচ্ছার প্রকাশ না হয়, তবে তারা তাদের সব ধরনের পন্থা অবলম্বন করবে। তিনি জানান, বর্তমানে তারা শুধুমাত্র মূল সড়ক অবরোধ করছেন, তবে প্রয়োজনে মূল গেট অবরোধের বিষয়টিও বিবেচনায় আনা হবে।
রাকিব বলেন, “দ্বিতীয় দিন আমাদের ঘেরাও কর্মসূচি চলছে। আমাদের নেতাকর্মীরা গতকালই রোদ উপেক্ষা করে সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান করেছেন। দাবি আদায় না হলে সারারাতও আমরা এখানেই থাকবো।” তিনি আরও জানান, আজকের দিনে দাবি আদায় ছাড়া তারা কমিশনের সামনে থেকে সরবেন না এবং আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই।
১. পোস্টাল ব্যালট ইস্যু: নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।
২. হঠকারী সিদ্ধান্ত: বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের কারণে কমিশন দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে, যা ইসির স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে হস্তক্ষেপ: বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইসি বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য উদ্বেগজনক।