ইপেপার / প্রিন্ট
রংপুর মহানগরীর কোতয়ালি থানার ভেতরে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী। তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল পর্যায়ের ১১ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, অপেশাদার আচরণ এবং অসদাচরণের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জুন রাতে, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি থানার ভেতরে। অভিযোগ অনুযায়ী, এক সালিশি বৈঠকে ডাকা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাকিবুজ্জামান রাকিবকে থানার ভেতরেই মারধর করা হয়। পরে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনার পরদিনই ওসিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে প্রধান করে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি সিসিটিভি ফুটেজ, সাক্ষ্য ও নথিপত্র বিশ্লেষণ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু পুলিশ সদস্যের ইচ্ছাকৃত অবহেলা ও অপেশাদার আচরণের কারণে ভুক্তভোগীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তার শিকার হন এবং ঘটনাটি পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জানিয়েছেন, বাহিনীতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা শৃঙ্খলাভঙ্গ বরদাশত করা হবে না এবং ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।