1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
গারো পাহাড়ে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

গারো পাহাড়ে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

প্রতিনিধি

শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ি অঞ্চলে এখনো নিশ্চিত করা যায়নি সুপেয় পানির ব্যবস্থা। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুম এলেই এসব এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানির তীব্র সংকটে পড়েন। বিশুদ্ধ পানির অভাবে বাধ্য হয়ে পুকুর, ঝর্ণা ও কুয়ার পানি ব্যবহার করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একইসঙ্গে পানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম, ফলে ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরাও। বছরের পর বছর এমন সংকট থাকলেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক বাড়িতে টিউবওয়েল থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১০০ থেকে ১২০ ফুট নিচে নেমে যায়। ফলে সাধারণ টিউবওয়েলগুলোতে পানি ওঠে না, সৃষ্টি হয় তীব্র সংকট। তবে আর্থিকভাবে সচ্ছলরা সাবমারসিবল পাম্প ব্যবহার করে কোনোভাবে পানির চাহিদা মেটাচ্ছেন।

শ্রীবরদী উপজেলার মালাকোচা, টিলাপাড়া, বালিজুড়ি, বিলভরাট, অফিসপাড়া, খ্রিস্টানপাড়া, মেঘাদল, মাটিফাটা, হারিয়াকোনা ও বাবেলাকোনা; ঝিনাইগাতী উপজেলার তাওয়াকুচা, পানবর, গুরুচরণ দুধনই, ছোট গজনী, বড় গজনী, গান্ধিগাঁও, বাকাকুড়া, হালচাটি, নওকুচি, ধানশাইল, নলকুড়া ও গৌরীপুর; এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার গারোপাড়া, বাতকুচি, টিলাপাড়া, লক্ষ্মীকুড়া ও পূর্ব সমেশ্চুড়া এলাকায় এ সংকট সবচেয়ে বেশি প্রকট।

ঝিনাইগাতী উপজেলার নওকুচি এলাকার নৃগোষ্ঠীর গৃহিণী সিলভী রাণী কোচ বলেন, শুধু নির্বাচনের সময় মেম্বার-চেয়ারম্যানরা পানির সমস্যা সমাধানের কথা বলেন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে কেউ আর খোঁজ রাখেন না। আমাদের ১৫টি বাড়ির জন্য একটি টিউবওয়েল হলেও চলবে। শুষ্ক মৌসুমে জমিতে সেচও দেওয়া যায় না।

শ্রীবরদী উপজেলার রাণীশিমুল ইউনিয়নের মালাকোচা গ্রামের কৃষক মামুন ম বলেন, ‘অনেকে কয়, সরকার পানি দেবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি। আমরা পুকুরের পচা পানি খেয়ে রোগে ভুগছি। আমাদের জন্য গভীর নলকূপ বা সাবমারসিবল পাম্প খুব প্রয়োজন।’

বেসরকারি সংস্থা এসএইচআরএস জানায়, শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার প্রায় ২০টি গ্রামের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ কোনো না কোনোভাবে সুপেয় পানির অভাবে ভুগছেন। তবে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সরকারের বড় কোনো পরিকল্পনা এখনো দৃশ্যমান নয়।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শুষ্ক মৌসুমে সীমান্তবর্তী এসব এলাকার প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়ে। ফলে বিশুদ্ধ পানির অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পাহাড়ি জনপদে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানির সংকট তৈরি হয়। বিষয়টি জরিপ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!