1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
গাজার দিকে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঝড়, বড় ঝুঁকিতে ৯ লাখ ফিলিস্তিনি - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার ৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের দাবি, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার আহ্বান নাহিদের পাঁচ বছরের অপেক্ষা, এখনো অসমাপ্ত সেতু: রশি টানা নৌকাতেই নদী পার পাঁচ গ্রামের মানুষের uxhy8x5r7hmbft2v লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধস: নিহত ১৪ শিক্ষার্থী, ভবনমালিকসহ গ্রেপ্তার ৫ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ

গাজার দিকে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঝড়, বড় ঝুঁকিতে ৯ লাখ ফিলিস্তিনি

প্রতিনিধি

গাজার দিকে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঝড়, বড় ঝুঁকিতে ৯ লাখ ফিলিস্তিনি
ফিলিস্তিনের গাজার দিকে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঝড়। এর জেরে বড় ধরনের বন্যা ও মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে পড়েছেন দক্ষিণ গাজার ৯ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি।

এছাড়া ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থাকা অঞ্চলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, দক্ষিণ গাজার ৯ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ তীব্র ঝড়ের কারণে ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে আছে বলে বৃহস্পতিবার সতর্ক করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ইসরায়েলের দুই বছরব্যাপী আগ্রাসনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া আর মানবিক সংকটে বিপর্যস্ত এই অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

খান ইউনিস পৌরসভার মুখপাত্র সাঈদ লাক্কান আনাদোলুকে বলেছেন, ঝড়টি “খুবই বিপজ্জনক” এবং উপকূলজুড়ে হাজারো তাঁবু প্লাবিত হতে পারে, শহরের ভেতরের বড় এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি জানান, নষ্ট হয়ে যাওয়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পুকুরগুলো স্থানীয়দের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফিলিস্তিনি আবহাওয়া অধিদপ্তরও শুক্রবার ও শনিবার উপত্যকা ও নিচু এলাকায় হঠাৎ বন্যার আশঙ্কা করেছে।

লাক্কান বলেন, পৌর কর্তৃপক্ষ “অভূতপূর্ব ও বিপর্যয়কর” পরিস্থিতির মুখোমুখি। ৯ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে আছে, আর সড়ক, পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার অন্তত ৮৫ শতাংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া ইসরায়েলি হামলায় সৃষ্ট প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ সামলাতেও অক্ষম শহরটি।

তার ভাষায়, “ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার মিটার সড়ক, ৩ লাখ মিটার পানি সরবরাহ লাইন এবং ১ লাখ ২০ হাজার মিটার ড্রেনেজ লাইন ধ্বংস হয়েছে। শহর কার্যত অচল হয়ে গেছে।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশনগুলো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

লাক্কান জানান, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে পৌর কর্তৃপক্ষ মাত্র ১৬ হাজার লিটার ডিজেল পেয়েছে— যা দিয়ে তিন দিনের বেশি কাজ চালানো সম্ভব নয়। অপ্রতুল সরঞ্জাম নিয়ে তারা বাঁধ তৈরির চেষ্টা করছেন এবং উপত্যকার পানি প্রবাহ ঘুরিয়ে দিয়ে তাঁবু ও নিচু এলাকা রক্ষার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল প্রতিদিনই চুক্তি ভঙ্গ করছে, এতে শত শত ফিলিস্তিনি হতাহত হচ্ছেন এবং খাদ্য ও চিকিৎসা সরবরাহ ঢুকতেও বাধা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, আসন্ন ঝড়ের সময় শহরকে ডুবন্ত অবস্থা থেকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে মোবাইল পাম্প ও অতিরিক্ত সরঞ্জাম প্রয়োজন।

খান ইউনিসের পরিস্থিতিকে তিনি “চরম হতাশাজনক” হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ধ্বংসস্তূপ সরানো ও জরুরি সেবা পুনর্গঠনে এখনই আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। গাজার উপকূলে বন্যা ও মৃত্যুঝুঁকিতে থাকা ২০ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষকে রক্ষায় এখনই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধ চলাকালে গাজার ২ লাখ ৮২ হাজারের বেশি বাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে হাজারো পরিবার শীতের আগমুহূর্তে তাঁবুতে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।

এছাড়া গত দুই বছরের শীতে ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিতে হাজারো তাঁবু ছিঁড়ে গেছে বা প্লাবিত হয়েছে। কাদায় ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে মানুষের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র। গত সেপ্টেম্বরের শেষে গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর জানিয়েছিল, গোটা এলাকার ৯৩ শতাংশ তাঁবু ভেঙে পড়েছে এবং সেগুলো আর থাকার উপযোগী অবস্থায় নেই।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!