ইপেপার / প্রিন্ট
ঢাকা: আসন্ন গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘জুলাই সনদ’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচারণা এবং জনগণকে ভোটাধিকারের প্রক্রিয়া ও গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তিনটি প্রধান ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করছে—সংশোধন, বিচার ও নির্বাচন। রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত কমিশনগুলোর প্রস্তাবনা এবং সকল রাজনৈতিক দলের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ’, যা স্থায়ীভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে।
সভায় আরও জানানো হয়, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভিডিও ক্লিপ প্রস্তুত করেছে। এছাড়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণা পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে, তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের গুরুত্ব এবং জুলাই সনদের প্রস্তাবনা পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করবেন।
সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গণভোটের কারিগরি ও প্রচারণামূলক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।