1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ক্যান্সার আক্রান্ত সন্তানকে বাঁচাতে এক মায়ের আহাজারী - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

ক্যান্সার আক্রান্ত সন্তানকে বাঁচাতে এক মায়ের আহাজারী

প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ক্যান্সার আক্রান্ত একমাত্র ছেলের চিকিৎসার অর্থ সংগ্রহ করতে না পেরে অসহায় এক মা বারবার মুর্চ্ছা যাচ্ছেন। তার আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে আকাশ-বাতাস। বুকফাঁটা কান্নায় সজল হয়ে উঠছে প্রতিবেশীদের চোখমুখ। পরিবারের দাবি, ছেলের চিকিৎসার জন্য জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর ভাটিগ্রামের দিনমজুর পরিবারের সন্তান আলম বাদশা ও তার স্ত্রী রুপালী বেগম। সংসারে কন্যা সন্তানের পর জন্ম হয় রেদওয়ান ইসলাম রাব্বীর। এক মেয়ে আর এক ছেলে পেয়ে আনন্দে ছিল পরিবারটি। কিন্তু সাড়ে ৪ বছরের রাব্বী ছোটবেলা থেকেই চোখের সমস্যায় ভুগছে। আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে রাব্বীর চোখ। রাব্বীকে দেখলে মনে হয় যেন চক্ষু কোটর থেকে চোখ টিকরে বের হয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, মাছ মেরে জীবিকা নির্বাহ করা পরিবারটি গ্রামবাসীদের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে ছেলের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করান। সেখানে চোখে ক্যান্সার আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর অথৈই সাগরে পড়েছে পরিবারটি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন ছেলের চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা দরকার। নিজেদের কোনো অর্থ না থাকায় সন্তান হারানোর আশঙ্কায় বারবার মুর্চ্ছা যাচ্ছেন অসহায় মা।

বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে দেখিয়ে শেষে রংপুর মেডিকেলে নিয়ে গেলে তারা ক্যান্সার আক্রান্তের বিষয়টি সন্দেহ করেন। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে গেলে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ পেডিয়াট্রিক হেমাটোরজি ও অনকোলজি বিভাগের প্রফেসর ডা. আনোয়ারুল করিমের তত্ত্বাবধানে রাব্বীর চোখে ক্যান্সার আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। ঢাকায় দুই সপ্তাহ অবস্থান করার পর অপারেশনের জন্য অর্থ না থাকায় শূন্য হাতে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয় আলম বাদশা ও রুপালীর। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। কিন্তু কিভাবে অর্থ সংগ্রহ করবেন তারা। ৬ শতকের বাড়িভিটা ছাড়া বিক্রি করার মতো কোনো জমিজমাও নেই তাদের। ফলে সরকারি-বেসরকারি দাতা সংস্থা, বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রবাসী ভাইদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন এই পরিবার ও তাদের প্রতিবেশীরা।

ভাটি গ্রামের মনছুর আলী, সাইবেনি, নুরুন্নাহার ও ফাতেমা বেগম জানান, ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার খালপাড়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে এখানকার পরিবারগুলো। মাথা গোঁজার ঠাঁই ছাড়া তাদের আর কিছুই নেই। তারপরও গ্রামের মানুষ চাঁদা তুলে ফুটফুটে ছেলেটির জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসে। কিন্তু এখন যে অংকের টাকা চিকিৎসার জন্য লাগছে, তা এখানকার কারো পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে অর্থের অভাবে অকালেই ছেলেটি মারা যেতে পারে। এজন্য দরকার দেশ ও-বিদেশের দাতা ব্যক্তিগণের সহায়তা। একমাত্র তারাই পারেন এই ফুটফুটে ছেলেটির পাশে দাঁড়াতে।

রাব্বীর দাদা ফয়জার আলী ও দাদী আছিয়া বেগম বলেন, হামার কলিজাটা ফাটি যাবার নাগছে। গরিব মানুষ, হামার কোন পয়সা-কড়ি নাই! কি দিয়া বাচামো ছওয়াটাক!

রাব্বীর মা রুপালী বেগম বারবার মুর্চ্ছা যাচ্ছিল। কোন কথাই শেষ করতে পারছিল না সে। বাবা আলম বাদশা বলেন, ছেলেকে বাঁচাতে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা দরকার। এত টাকা কোথায় পাব! অসহায় ফ্যালফ্যাল চোখে তাকিয়ে থাকে সে। দীর্ঘশ্বাস চেপে বলেন, আল্লাহর রহমত আর বৃত্তবানরা পারেন আমার সন্তানকে বাঁচাতে।

সামর্থ্যবানদের রাব্বীর বাবা আলম বাদশার বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বরে (০১৯৩০৬২৯১৯০) টাকা পাঠানোর অনুরোধ করছে শিশুটির পরিবার।

বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লুৎপর রহমান বলেন, রেদওয়ানের ক্যান্সার আক্রান্তের বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আমরা তদন্ত সাপেক্ষ ছেলেটির চিকিৎসার জন্য সরকারি বিধি মোতাবেক দ্রুত অর্থ সহায়তা দিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!