1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
কোরবানি না করে আকিকা দেওয়া যাবে? - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০ সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে শ্যামপুর সুগারের মূল্য বেড়েছে ৭৬৩ কোটি টাকা

কোরবানি না করে আকিকা দেওয়া যাবে?

প্রতিনিধি

কোনো ব্যক্তির যদি কোরবানি এবং আকিকা দুটি আলাদা আলাদাভাবে দেওয়া সম্ভব না হয়। অর্থাৎ, এই পরিমাণ সম্পদ নেই অথবা সেই ব্যক্তির এমন কোনো ঋণ আছে যার কারণে তিনি কোরবানির সঙ্গে আকিকা দিতে পারবে না। তাহলে তিনি কোরবানির পরিবর্তে সন্তানের জন্য আকিকা করতে পারবেন কিনা?

ফেকাহবিদদের মতে, কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব। আর আকিকা করা মুস্তাহাব। জিলহজের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে কারো কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।
সন্তান জন্মের এক সপ্তাহের মধ্যে আকিকা সুন্নত। আকিকা না দিলে কোন গুনাহ হবে না।পরবর্তীতেও আকিকা করা যবে। কিন্তু কারো উপর কোরবানি ওয়াজিব হবার পর তা না করলে সেই ব্যক্তি গুনাহগার হবে।

আর কারো একসঙ্গে আকিকা এবং কোরবানি দুটোই করার সমার্থ্য না থাকলেই শুধু তার কোরবানি মওকুফ হয়ে যায় না। দেখতে হবে তার ঋণ- এর টাকার বাইরে বাকি সম্পদ নেসাব পরিমাণ কি না।
যদি ঋণ বাদ দিয়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তাহলে তার উপর কোরবানি করা আবশ্যক।

কোরবানির নেসাব বলতে বুঝানো হয়, কোরবানির দিনগুলোতে কোন ব্যক্তি যদি আবশ্যকীয় প্রয়োজন অতিরিক্ত সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার সমমূল্য পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, তাহলে তার উপর কোরবানি করা আবশ্যক। (আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৫৫)

প্রসঙ্গত, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী—যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ভেতরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে; তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। ওয়াজিব হওয়ার পরও কোরবানি না দেওয়া ব্যক্তি সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—

‘যার সামর্থ্য আছে তবুও সে কুরবানি করল না (অর্থাৎ কুরবানি করার সংকল্প তার নেই) সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ, মুসতাদরেকে হাকেম)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!