ইপেপার / প্রিন্ট
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া ও বড়াইবাড়ি সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশু ও পুরুষসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
রোববার ভোরে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ি জেলার জালুর চর বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১০৬০/১এস এলাকা দিয়ে তিনজন পুরুষ, দুইজন শিশু ও একজন নারীকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে পারেনি। পরে ওই ছয়জনকে সীমান্তের কাঁটাতার সংলগ্ন এলাকায় রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা।
একই সময়ে বড়াইবাড়ি বিওপি ক্যাম্প সংলগ্ন ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে আরও তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিজিবি সেই চেষ্টাও ব্যর্থ করে দেয়। বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
জামালপুর-৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারী, শিশু ও পুরুষসহ মোট ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে বিএসএফ পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।