ইপেপার / প্রিন্ট
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় টানা ১০ দিন ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন তিন যুবক। বৈরী আবহাওয়া ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পলিথিনের ছাউনিতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুটি সীমান্ত এলাকায় মোট পাঁচ যুবক অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে থাকা দুইজন সোমবার (২২ জুন) রাতের আঁধারে সেখান থেকে সরে যান। বর্তমানে বড়াইবাড়ীর ভুন্দুরচর সীমান্তের শূন্যরেখায় তিনজন যুবক অবস্থান করছেন।
শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সোনা মিয়া জানান, গয়টাপাড়া সীমান্তে থাকা দুই যুবক আর সেখানে নেই। তবে ভুন্দুরচর সীমান্তে তিনজন এখনো অবস্থান করছেন।
এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের পুশইন সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নারী ও শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা ও বিজিবির বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে নারী ও শিশুসহ ছয়জন বিভিন্ন সময়ে শূন্যরেখা ত্যাগ করলেও তিন যুবক এখনো সেখানে অবস্থান করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে অনিশ্চিত অবস্থায় থাকা এসব যুবকের বিষয়ে দ্রুত মানবিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।