1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
কাজা নামাজ পড়ার সময় কিরাত জোরে পড়া যাবে? - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

কাজা নামাজ পড়ার সময় কিরাত জোরে পড়া যাবে?

প্রতিনিধি

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা উচিত। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো এবং নামাজের জামাত দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো কারণে যদি কেউ সময় মতো নামাজ পড়তে না পারে তাহলে তার জন্য কাজা নামাজ পড়তে হবে।

কাজা নামাজ একাই পড়া যায়। একসঙ্গে অনেকের নামাজ কাজা হলে তারা চাইলে জামাতের সঙ্গে কাজা নামাজ আদায় করে নিতে পারবেন। কাজা নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায়ের ক্ষেত্রে জোরে কিরাত পড়া যাবে কি না তা নিয়ে অনেকের মনে সন্দেহ থাকে। যেমন একজন প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছেন—

গত কয়েকদিন আগে আমাদের সবার ফজরের নামাজ কাজা হয়ে যায়। পরে আমরা জামাতের সাথে ফজরের নামাজের কাজা আদায় করি। এবং নামাজে কেরাত জোরে পড়ি। পরে মনের মধ্যে খটকা লাগল যে, নামাজে কেরাত জোরে পড়া ঠিক হল কি না? বিষয়টির সঠিক সমাধান জানাবেন।এই ক্ষেত্রে ইসলামী আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদদের মতামত হলো— প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে সশব্দে কেরাত পড়া নিয়মসম্মতই হয়েছে। কেননা ফজর, মাগরিব ও এশার নামাযের কাজা জামাতে আদায় করলে কেরাত শব্দ করে পড়াই আবশ্যক। তা দিনের বেলায় আদায় করলেও কেরাত শব্দ করেই পড়তে হবে।
হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে—

অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কয়েকজন সাহাবি সফরে ছিলেন। অধিক রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ায় তাঁদের ঘুম থেকে জাগতে দেরি হয়ে যায়। ততক্ষণে সূর্যোদয় হয়ে যায়। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে জামাতের সঙ্গে ফজরের নামায কাযা করেন। এবং অন্য সময়ের মতো শব্দ করে কেরাত পড়েন। (কিতাবুল আছার, ইমাম মুহাম্মাদ, বর্ণনা ১৬৮)

—(আলজামিউস সাগীর, পৃ. ৭২; ফাতহুল কাদীর ১/২৮৫;ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৬৬, ১২১)

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!