বাংলাদেশের এগারোতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। একই সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১৯টি সুপারিশও দিয়েছে সংস্থাটি, যার মধ্যে ৬টি সুপারিশকে অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস এসব তথ্য জানান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী নির্বাচনে প্রার্থীদের অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইইউ মিশন জানায়, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক অংশ নেন। তারা বাংলাদেশ-এর ৬৪টি জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড-এর প্রতিনিধিরাও ছিলেন।
এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে নির্বাচনী পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছিল।
নতুন চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নির্বাচন ব্যবস্থার আরও উন্নয়নের জন্য ১৯টি সুপারিশ দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে আরও স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হবে বলে মনে করছে ইইউ মিশন।