ইপেপার / প্রিন্ট
আসন্ন উপনির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনী ব্যয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের ভোটকে সামনে রেখে প্রার্থীদের জন্য ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ভোটারসংখ্যার ভিত্তিতে।
ইসির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ভোটারের বিপরীতে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবেন। এই হিসাবে বগুড়া-৬ আসনে মোট ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন ভোটারের জন্য একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা দাঁড়িয়েছে ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৩০ টাকা। এই আসনে নারী ভোটারের সংখ্যাই বেশি, যা মোট ভোটারের অর্ধেকেরও বেশি।
বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন তিনজন প্রার্থী—মো. আবিদুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. রেজাউল করিম বাদশা (বিএনপি) এবং মো. আল আলিম তালুকদার (বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি)।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন তারেক রহমান। তবে আইন অনুযায়ী অন্য আসন ধরে রাখায় বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হওয়ায় এখানে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। একই হারে ব্যয়সীমা নির্ধারণ করায় এখানে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন, যা বগুড়ার তুলনায় কিছুটা কম।
শেরপুর-৩ আসনে বর্তমানে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন—মো. মাসুদুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. মাহমুদুল হক রুবেল (বিএনপি), মো. মিজানুর রহমান (বাসদ-মার্কসবাদী) এবং মো. আমিনুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।
এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের সময় একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় এই আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল।
ইসি জানিয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে এবং নির্ধারিত ব্যয়সীমা যেন কোনো প্রার্থী অতিক্রম না করেন, সে জন্য কঠোর নজরদারি থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।