ইপেপার / প্রিন্ট
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) হঠাৎ কিছু ‘সারপ্রাইজ সিদ্ধান্ত’ নিচ্ছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এনসিপির মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ভোটকেন্দ্রের চারশ’ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার বিষয়টি ইসি প্রত্যাহার করছে, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের অস্বাভাবিক আচরণ এখনো চলছেই।
তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু কর্মকর্তা ভোটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন এবং নির্দিষ্ট দলের প্রার্থীদের সুবিধা দিচ্ছেন। এছাড়া, বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হচ্ছে। কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে তাৎক্ষণিক লিখিত জবাব না পাওয়ায় তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপের জন্য একটি বিশেষ ‘টাস্কফোর্স’ থাকা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এনসিপি আরও বলেছে, প্রশাসনিক বদলি প্রক্রিয়ায় কোনো দলের সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের অপসারণ করা হচ্ছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বৈঠকে তারা বিতর্কিত কর্মকর্তাদের দ্রুত অপসারণ ও দায়িত্ব বদলের দাবি জানিয়েছেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নজরুল ইসলাম বাবলুসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।