ইপেপার / প্রিন্ট
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের জন্য কথা বলা ও কাজ করা গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। তিনি বলেন, “আমাদের সবার নিজের জায়গা থেকে দেশের জন্য করার অনেক কিছু আছে। আমার মা সরকারি হাসপাতালে চাকরির পাশাপাশি সংসারে সমতা বজায় রেখেছেন। নারী বৈষম্য দূর করতে আমার দাদি অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছেন।”
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা ফোরামের আয়োজিত “জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ” শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেন, মেয়েদের আত্মবিশ্বাস তাদের ক্ষমতায়নে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে। লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে পারলে নারীরা সহজেই দেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, “আমার মা একজন কার্ডিওলজিস্ট ও গৃহিনী। তিনি একসঙ্গে দুটি জায়গাই সমানভাবে পরিচালনা করছেন। আমার দাদি বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নারী শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অনেক অবদান রেখেছেন। তবে দেশের অর্থনীতি ও জিডিপি বৃদ্ধিতে নারীদের অবদান এখনো দৃশ্যমান নয়।” তিনি উল্লেখ করেন, ৭০ শতাংশ নারী ফেসবুকে নিয়মিত হ্যারেজমেন্টের শিকার হচ্ছেন।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এক ঘটনাও বর্ণনা দেন জাইমা রহমান। তিনি বলেন, লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দাদি বেগম খালেদা জিয়া নাইজেরিয়ার এক নার্সকে বাংলাদেশের নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর অগ্রগতিতে তার অবদানের কথা জানিয়েছিলেন। সেই নার্স নাইজেরিয়ায় নারীদের উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিপিডি পরিচালক ডা. ফাহমিদা খাতুন, সমাজকর্মী ও উদ্যোক্তা তামারা আবেদ, এবং বার্জার পেইন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরীসহ অনেকে।