1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
আফগানিস্তানের ঐতিহ্যবাহী নীল মসজিদ যেভাবে নির্মিত হয়েছে - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

আফগানিস্তানের ঐতিহ্যবাহী নীল মসজিদ যেভাবে নির্মিত হয়েছে

প্রতিনিধি

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর মাজার-ই-শরিফে দাঁড়িয়ে থাকা ‘ব্লু মসজিদ’ বা নীল মসজিদকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য গল্প। তিমুরিদ নকশা ও কারুকাজে নির্মিত এই মসজিদ শুধু স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন নয়, বরং আফগান জাতির গৌরব ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতীক।
১৫শ শতকে সুলতান হোসেন বায়কারা এই মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন। অনেকের বিশ্বাস, এখানেই সমাধিস্থ আছেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা ও নবীজি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জামাতা আলী ইবনে আবি তালিব (রা.)। যদিও তার প্রচলিত কবরস্থল হিসেবে ইরাকের নাজাফকে ধরা হয়, তবুও মাজার-ই-শরিফের স্থানীয়রা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এই পবিত্র স্থাপনাই তার করব।
মসজিদটি গড়ে ওঠে তিমুরিদ যুগের শিল্প ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল সাক্ষ্য হিসেবে। এর নীলাভ টাইলস, দৃষ্টিনন্দন ক্যালিগ্রাফি ও মনোমুগ্ধকর গম্বুজ আজও দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে রাখে।
যুদ্ধ, ধ্বংস ও পুনরুত্থান
১৮৬৬ সালে বালখ অবরোধের সময় মসজিদটি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে। কিন্তু স্থানীয় জনগণ নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রক্ষা করেন প্রিয় এই পবিত্র স্থাপনাকে। ২০শ শতকের শুরুতে মসজিদটি পুনর্নির্মাণ ও সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই উদ্যোগে মসজিদটি ফিরে পায় তার পুরোনো ঐশ্বর্য ও জৌলুস। পরবর্তীতে ইউনেস্কো এই স্থাপনাটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
স্থাপত্য ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধন
মসজিদের বিশাল প্রাঙ্গণ, ঝরনা, পায়রার নীড় আর রোদে ঝলমলে নীল টাইলস একে করে তুলেছে মনোমুগ্ধকর। সূর্যের আলো যখন এর নীল টাইলসে পড়ে, তখন পুরো জায়গাটি নীলাভ আলোর মায়ায় মোহিত হয়ে ওঠে। দর্শনার্থীরা বলেন, এখানে এক ধরনের আত্মিক প্রশান্তি ও প্রশান্ত বাতাস অনুভূত হয়।
মসজিদের মূল আকর্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে— নীল টাইলসের অপূর্ব কারুকাজ। প্রশস্ত আঙিনা ও ফোয়ারা। মনোমুগ্ধকর ক্যালিগ্রাফি। সুউচ্চ মিনার ও গম্বুজ। শান্ত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
আফগান সংস্কৃতি ও অর্থনীতিতে গুরুত্ব
আফগান জনগণের হৃদয়ে গেঁথে আছে ব্লু মসজিদের ইতিহাস। এই মসজিদকে ঘিরে প্রতি বছর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই স্থাপত্যের সৌন্দর্য দেখতে আসেন হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটক। যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রাণ সঞ্চার করেছে।
মসজিদটি শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং আফগান জাতির স্থিতিশীলতা, গৌরব ও সহিষ্ণুতার প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী পার হয়ে গেলেও এই মসজিদ আজও দাঁড়িয়ে আছে দৃপ্তভাবে, যেন জানিয়ে দিচ্ছে—সংঘাত, যুদ্ধ বা সময়ের ঝড় কোনোভাবেই মুছে দিতে পারে না আধ্যাত্মিকতার আলো।
নীল মসজিদ তাই আজ শুধু আফগানিস্তানের নয়, সমগ্র মুসলিম বিশ্বের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সৌন্দর্যের এক অমূল্য প্রতীক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!