দীর্ঘ ৯ বছর পর ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন সফরে যাচ্ছেন। আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত বেইজিং সফরে থাকবেন তিনি বলে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেই এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রথমবার চীন সফর করেছিলেন ট্রাম্প। এরপর আর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীন সফরে যাননি। এমনকি তার উত্তরসূরি জো বাইডেন-ও নিজের মেয়াদকালে বেইজিং সফর করেননি। ফলে প্রায় এক দশক পর এটি হতে যাচ্ছে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম চীন সফর।
বিশ্লেষকদের মতে, সফরটির সময়ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ বর্তমানে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-কে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে রয়েছে। চলমান সংঘাত, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
জানা গেছে, ট্রাম্পের এই রাষ্ট্রীয় সফরের সূচি প্রথমে ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সফরটি স্থগিত করা হয়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর ধারণা, এবার ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, বৈশ্বিক নিরাপত্তা, বাণিজ্য সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত ভারসাম্যের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ভবিষ্যৎ ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।