ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস স্পষ্ট জানিয়েছে যে ইসরায়েলি সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা ছাড়া তারা কোনো অস্ত্র ছাড়বে না।
মূল বিষয়সমূহ:
- হামাসের শর্ত
- গাজার প্রতি ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হতে হবে।
- ইসরায়েল সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করবে।
- এই শর্ত না মানা পর্যন্ত অস্ত্র সমর্পণ বা নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা হবে না।
- মধ্যস্থতাকারী বৈঠক
- মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় কায়রোতে আলোচনায় ‘বোর্ড অব পিস’ পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়।
- হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির শর্ত পূরণ হলে আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব।
- মানবিক পরিস্থিতি
- ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ৭১৬ ফিলিস্তিনি নিহত ও ১,৯৬৮ আহত।
- ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েলি অভিযান: ৭২,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত, ১৭২,০০০ আহত, এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ৯০% ধ্বংস।
- গাজার পুনর্গঠনে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
- আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রভাব
- হামাসের মন্তব্যে ইরান, হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথিদের প্রশংসা।
- ইসরায়েলের নতুন মৃত্যুদণ্ড আইন ও বন্দী ফিলিস্তিনিদের মুক্তি প্রসঙ্গে অভিযোগ।
সারসংক্ষেপ
হামাসের সাফ অবস্থান: “নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না যতক্ষণ না যুদ্ধবিরতির সব শর্ত পূর্ণ হয়।”
এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘বোর্ড অব পিস’ পরিকল্পনার জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আপনি চাইলে আমি এই পরিস্থিতি ছোট টেবিলে ইসরায়েল–হামাসের অবস্থান ও আন্তর্জাতিক প্রস্তাবনার তুলনায় দেখিয়ে দিতে পারি, যাতে বিষয়গুলো দ্রুত বোঝা যায়।