1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. yoyorabby11@gmail.com : Munna Islam : Munna Islam
  3. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
হামলার শিকার হয়ে এবার মামলার আসামী শামসুল আলম - NEWSTVBANGLA
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন

হামলার শিকার হয়ে এবার মামলার আসামী শামসুল আলম

প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার

নির্বাচনের দিন হামলার মুখে পড়ে পেলেন না কোন প্রতিকার। উল্টো হলেন হত্যা মামলার আসামী। কোথায় যাবেন প্রবাসী সামসুল আলম। কার কাছে চাইবেন প্রতিকার? বরং নিজের নিরাপত্তা নিয়েই রয়েছেন নানা শংকায়।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন সৌদির মক্কা প্রবাসী আওয়ামী লীগের সভাপতি সামসুল আলম। দ্বিতীয় ধাপে ৬ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মক্কা থেকে নিজের এলাকায় ছুটে এসেছিলেন সামসুল আলম।

গত ২১ মে প্রথমবারে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেখানে। নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে ছিলো উৎসবের আমেজ। সবাই ভেবেছিলেন প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন হবে সুষ্ঠু,অবাধ,নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ।

তবে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার, হুমকি – ধামকি আর রক্তপাতের ঘটনায় ইতিহাসে প্রথম নির্বাচনই কলঙ্ক লেপন করে দিয়েছেন নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার ললাটে। নির্বাচনী সহিংসতা প্রশ্ন বিদ্ধ করে দিয়েছে গোটা নির্বাচনী আবহকে।

নির্বাচনে অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনা নিয়ে সেদিন ফেসবুকে সরাসরি লাইভ করছিলেন কক্সবাজারের। চলন্ত গাড়ি থামিয়ে সেই মুহূর্তেই হামলা করা হয় শামসুল আলমের ওপর।তার আগে হামলা চালানো হয় তার প্রধান নির্বাচনী এজেন্টের উপর।

ওই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে সড়ক অবরোধ করেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী ও সমর্থকরা।

নির্বাচনে টেলিফোন প্রতীকের প্রার্থী আবু তালেব ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। শুধু তাই নয়, ভোটকক্ষে টেলিফোন প্রতীকে নিজস্ব লোক দিয়ে ভোট কাস্ট করার অভিযোগ করেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী সেলিম আকবর ও তার সমর্থকরা।

উপজেলা জুড়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু তালেবের পক্ষে প্রভাব বিস্তার ও বহিরাগত লোকজন কেন্দ্রে কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে নিজের এজেন্ট বের করে দেওয়ার প্রতিবাদে সেদিন দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সেলিম আকবরের কর্মী-সমর্থকরা কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঈদগাহ বাস স্টেশন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে উভয় পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে।

স্থানীয়রা জানান,ভোট গ্রহণ শুরুর পর ঘণ্টা কয়েক সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চললেও বেলা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। পাল্লা দিয়ে চলতে থাকে অনিয়ম।
পোকখালী, জালালাবাদ, ঈদগাঁওয়ের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আসতে থাকে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু তালেবের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে মধ্যম পোকখালী কেন্দ্রে গিয়ে হামলার শিকার হন মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী সামসুল আলম।

অন্যদিকে পোকখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পোকখালীতে নির্বাচনী সহিংসতায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন ছফুর আলম। তাকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে চারজন গ্রেপ্তার হলেও ছয়দিন পর মামলা দায়ের করা হয় ঈদগাঁও থানায়।

সেই মামলায় অন্যতম আসামী করা হয় সামসুল আলমকে।নিজের ওপর হামলা,মামলায় এখন দিশেহারা। এসব নানা ঘটনায় এখন চাপা পড়ে গেছে নির্বাচনী সকল অনিয়ম।
কি করবেন সামসুল আলম? জনগনের সেবা করার মানসে ছেড়ে এসেছিলেন কর্মস্থল সৌদি আরবের মাটি। গভীর শূন্যতা আর স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা নিয়েই অবশিষ্ট জীবন বয়ে বেড়াতে হবে তিক্ত ও বিভীষিকাময় জীবনের ক্ষত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট