1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
সরকারের দাবি ১৮৫ কোটি সাশ্রয়, অথচ ব্যয় বেড়েছে ১৯১ কোটি টাকা - NEWSTVBANGLA
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

সরকারের দাবি ১৮৫ কোটি সাশ্রয়, অথচ ব্যয় বেড়েছে ১৯১ কোটি টাকা

প্রতিনিধি

সরকারের দাবি ১৮৫ কোটি সাশ্রয়, অথচ ব্যয় বেড়েছে ১৯১ কোটি টাকা
মেট্রোরেলের মতিঝিল-কমলাপুর অংশে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজের জন্যে প্রাথমিক দরপত্রে ২৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও দরকষাকষি করে ৪৬৫ কোটি টাকায় কাজটি করতে সম্মত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ প্রকল্পে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় সময়ক্ষেপণ ও ডলারের মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় ১৯১ কোটি ব্যয় বাড়লেও উল্টো ১৮৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে দাবি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে ‘মেট্রোরেলে অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক অর্জনসমূহ : মতিঝিল-কমলাপুর সেকশনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজে প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা’ শিরোনামে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করেন।
গত ৪ জুলাই ‘বরাদ্দের ৭০ শতাংশ বেশি দরে মেট্রোরেলের কাজ শুরু’ শিরোনামে কালবেলায় খবর প্রকাশ হয়। প্রকাশিত খবরে খরচ বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল।
২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (আরডিপিপি) এই খাতে ২৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিল মেট্রোরেল বাস্তবায়নকারী সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
এমআরটি লাইন-৬ এর সদ্য বিদায়ী প্রকল্প পরিচালক মো. জাকারিয়া বলেন, ‘২০২২ সালের ডলারের দর অনুযায়ী ২৭৪ কোটি টাকায় করার কথা ছিল। কিন্তু ডলারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন ৪৬৫ কোটি টাকায় করতে হচ্ছে।’
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ দর-কষাকষিতে মূল্য কমিয়ে আনাকে সাফল্য হিসেবেই দেখছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যা চেয়েছে তার থেকে ৩০-৪০ শতাংশ কম মূল্যে কাজ করাতে রাজি করতে পেরেছি।’
মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মেট্রোরেলের মতিঝিল থেকে কমলাপুর সেকশনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল সিস্টেমের কাজের জন্য ২০১৮ সালের জুন দরপত্র দাখিলকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সম্প্রতি নিয়োগ করা হয়েছে। এই কাজের প্রাথমিক ব্যয় নিয়ে সম্প্রতি কিছু প্রশ্ন উঠলেও, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ সফল দর-কষাকষির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করেছে। সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (আরডিপিপি) (দ্বিতীয় সংশোধনী) এই খাতে ২৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। কার্যত ২৭৪ কোটি টাকা আরডিপিপি বরাদ্দ একটি অনুমোদিত ব্যয়। প্রকৃত ব্যয় দরপত্র মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় যা মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন, কাঁচামাল সরবরাহের জটিলতা এবং পরিবহন খরচ ইত্যাদির উপর নির্ভরশীল।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘জুলাই ২০২৩ সালে প্রস্তাবিত মূল্য ছিল প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার এত বেশি দরে কাজ করাতে অনীহা প্রকাশ করে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে নেগোসিয়েশন স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করে এবং দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষি করে ৪৬৫ কোটি টাকায় কাজটি করাতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!