1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
মব নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সেটি নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে : ইফতেখারুজ্জামান - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
lbwarkcqap1xha 0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

মব নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সেটি নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে : ইফতেখারুজ্জামান

প্রতিনিধি

সরকার যদি মব সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারে তাহলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত ‘কর্তৃত্ববাদ পতন-পরবর্তী দেড় বছর : প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মব সন্ত্রাস যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সেটি অন্য সবকিছুর মতো নির্বাচনেও প্রভাব ফেলতে বাধ্য। এক্ষেত্রে সরকারেরও দায় আছে। সরকার শুরু থেকে মব সহিংসতা প্রতিরোধে তৎপরতা দেখাতে পারেনি।

মব ভায়োলেন্সের উৎপত্তি নিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, বাংলাদেশে মব সহিংসতা শুরু হয়েছে সরকারের ভেতর থেকে। দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্র সচিবালয়ে প্রথম মবের উৎপত্তি হয়েছিল। সরকারের বাইরের শক্তি যারা এখন মব করছে, তারা ক্ষমতায়িত হয়েছে সচিবালয়ে মব সৃষ্টির পরে। এর ফলে সরকারের নৈতিক ভিত্তিও দুর্বল হয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর একটি হত্যাকাণ্ডও হবে না, এমই আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, আর যেন নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা না হয়। তবে সহিংসতার ঝুঁকি শুধু ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত নয়, এর পরবর্তী কয়েক দিনও থাকতে পারে। সরকার এই ঝুঁকির বিষয়টি ভালোভাবেই জানে এবং ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা ও সক্ষমতা তাদের রয়েছে।

অবশ্য বাংলাদেশের অতীত নির্বাচনী ইতিহাসের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইফতেখারুজ্জামান।

উদ্বেগ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, অতীতের নির্বাচনগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার সহিংসতা প্রতিরোধ করতে হবে।

ইফতেখারুজ্জামান জুলাই-পরবর্তী জবাবদিহির প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢালাওভাবে মামলায় জড়িয়ে সাংবাদিকদের আটক রাখা হয়েছে। পেশাগত অবস্থান অপব্যবহারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া কতটুকু বিচার আর কতটুকু প্রতিশোধ সেই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত অপরাধী, কর্তৃত্ববাদের দোসরদের চিহ্নিত করে জবাবদিহিতার আওতায় আনা কতটুকু সম্ভব ও গ্রহণযোগ্য হবে, সেই প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে।

টিআইবির এই নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রকৃত জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হলে হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কর ফাঁকির মতো অপরাধের প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে ন্যায়সংগত ও বিশ্বাসযোগ্য বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, রাজনীতিবিদ এবং আমলাতন্ত্র জুলাই আন্দোলন থেকে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি। তারা তাদের স্বার্থ বজায় রাখতে চায়। এই কারণে ঐকমত্য কমিশনে জনগণের কাছে জবাবদিহি সরকারব্যবস্থার জন্য যে পদ্ধতিগুলো উপস্থাপন করা হয়েছিল, প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের আপত্তি ছিল।

তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্টের মৌলিক কনসেপ্ট ধারণ করলে, আপত্তি থাকলেও যেসব বিষয়ে ঐকমত্য বা সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেটিই বাস্তবায়ন হবে। এক্ষেত্রে সংখ‍্যাগরিষ্ঠদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়ার রীতি বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আছে। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এমনটি হবে কিনা, সেটি দেখার বিষয়। গণভোটের রায় হ্যাঁ- এর পক্ষে গেলে সেক্ষেত্রে যারা সরকারে যাবে, তাদের সদিচ্ছার ওপর সংস্কার বাস্তবায়ন নির্ভর করবে।

এ ছাড়া সরকারের সাম্প্রতিক দুটি অধ্যাদেশ সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশ ও গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ নিয়ে সমালোচনা করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।

এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, মিডিয়া বিশেষভাবে সরকার কর্তৃক উপেক্ষিত হয়েছে এবং মিডিয়ার প্রতি নতুন করে ঝুঁকি সৃষ্টি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারের ভেতরের ও বাহিরের শক্তি কাজ করেছে। বাহিরের শক্তিকে সরকারই অতি ক্ষমতায়িত করেছে।

গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরাপদে কাজ করুক, এই চিন্তা-ভাবনা অন্তর্বর্তী সরকার ধারণ করেছে কিনা, সেই প্রশ্নও তোলেন ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, দুটি মিডিয়া কমিশন লোক দেখানো পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছু নয়। এটি মিডিয়াকে আরও বেশি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রাখার পাঁয়তারা।

বিচার বিভাগ সংস্কার প্রসঙ্গে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিচারক নিয়োগ কমিটি, স্বাধীন বিচার বিভাগ সচিবালয়ের মতো কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সচিবালয় কতটুকু কার্যকর হবে, তার জবাব পরবর্তী সরকারকে দিতে হবে। এছাড়া বিচার ব্যবস্থার ভেতরে দলীয়করণ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

গণতান্ত্রিক সংস্কার সফল করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে রাজনীতিমুক্ত করার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃঢ় অঙ্গীকার প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!