1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ভ্রূণের লিঙ্গ প্রকাশ বন্ধে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায় - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস সাভারে ইটের দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। বাইরে টাটকা, ভেতরে পচন—রোগবালাই ও দামে ধসের চাপে খাগড়াছড়ির আমচাষিরা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ‘১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’—আইনমন্ত্রী সরাইলে সুদের টাকা নিয়ে টানা তৃতীয় দিনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০ সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে শ্যামপুর সুগারের মূল্য বেড়েছে ৭৬৩ কোটি টাকা

ভ্রূণের লিঙ্গ প্রকাশ বন্ধে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

প্রতিনিধি

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন বাংলাদেশ হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার এবং কাজী জিনাত হক-এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায়ে বলেন, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য এবং কন্যাশিশু হত্যার ঝুঁকি বাড়ায়, যা সংবিধান ও মানবাধিকারের পরিপন্থি।

সোমবার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই রায় ঘোষণা করা হয়েছিল।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, ভ্রূণের লিঙ্গ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজে কন্যাশিশুর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আরও বাড়তে পারে এবং এটি নারী-পুরুষের সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করার আশঙ্কা তৈরি করে। আদালতের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায়।

রায়ে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা ছিল না। শুধুমাত্র নীতিমালা প্রণয়ন করলেই হবে না, বরং বাস্তবায়ন, মনিটরিং ও ডিজিটাল নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

এই প্রেক্ষাপটে আদালত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেখানে নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালিত অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে।

আদালত উল্লেখ করেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য এবং সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রায়ে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে বলা হয়, উন্নয়নশীল অনেক রাষ্ট্রেই এ ধরনের কার্যক্রম কঠোর আইনি কাঠামোর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

হাইকোর্ট এই নির্দেশনাকে “continuous mandamus” হিসেবে ঘোষণা করেছেন, অর্থাৎ ভবিষ্যতেও আদালত এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন তদারকি করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধে রিট আবেদন দায়ের করেন। আদালতে তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী তানজিলা রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!