1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ভোলা থেকে ঢাকায় আসার পথে লঞ্চে শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে ক্ষোভ - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

ভোলা থেকে ঢাকায় আসার পথে লঞ্চে শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে ক্ষোভ

প্রতিনিধি

ভোলা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে লঞ্চে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা গভীর শোক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু আরিফা (সাড়ে ৩ বছর) ভোলার দৌলতখান উপজেলা এর চরখলিফা ইউনিয়নের হাওলাদার হাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি আরিফ ও রোজিনা বেগম দম্পতির একমাত্র কন্যা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে হঠাৎ ডায়রিয়াজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে আরিফা। প্রথমে তাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশালে রেফার্ড করা হয়। তবে স্বজনরা উন্নত চিকিৎসার আশায় দুপুরে লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

লঞ্চটি যখন মুন্সিগঞ্জ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছায়, তখনই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে সে মারা যায়। এসময় লঞ্চের দ্বিতীয় তলায় স্বজনদের গগণবিদারী আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।

শিশুটির মা রোজিনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু পথেই তাকে হারালাম।”

ঘটনাটি ঘিরে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। তারা অভিযোগ করেন, লঞ্চটিতে কোনো ধরনের অক্সিজেন সরবরাহ বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল না। যাত্রী মো. তুহিন, ইব্রাহিম, রনি ও ছিদ্দিকুল্লাহ বলেন, “লঞ্চে যদি জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকত, তাহলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো যেত।”

তারা আরও বলেন, ভোলা থেকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা বরিশালে যাওয়ার পথে অনেক সময় রোগীরা ঝুঁকিতে পড়েন। তাই ভোলা-ঢাকা রুটের লঞ্চগুলোতে ডাক্তার, অক্সিজেন এবং জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। পাশাপাশি ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিও পুনরায় তোলেন যাত্রীরা।

অন্যদিকে লঞ্চটির কেরানি মো. হারেছ হোসেন জানান, শিশুটির পরিবার তাদের কাছে কোনো সহায়তা চাননি। লঞ্চটি পুরোনো হওয়ায় এতে মরদেহ সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে লঞ্চটি সদরঘাটের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর শিশুটির মরদেহ কেবিনে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এই মর্মান্তিক ঘটনা ভোলা অঞ্চলের চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নদীপথে যাত্রীবাহী লঞ্চে জরুরি চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!