1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
বিচারপ্রার্থীদের শুনানিতেই জামিন মিলছে, হচ্ছে মামলার নিষ্পত্তি - NEWSTVBANGLA
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সফলভাবে মোকাবিলা সাফল্য বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে আয়োজন করা হচ্ছে ন্যাপ এক্সপো বাংলাদেশ : পরিবেশমন্ত্রী বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হ্যাটট্রিক জয় নিয়ে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স ঈদুল ফিতরের সময় স্বাস্থ্যসেবা তদারকি করতে আকস্মিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শনে যাবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগেুলোর সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের ৩০টি গ্রামের ঈদ বুধবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীরা ঈদে পাবে বিশেষ সুবিধা পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত ঘিরে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই: র‍্যাব ডিজি দেশের গভীর সমুদ্রে তেল গ্যাস অনুসন্ধান এবং এলএনজি সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ড পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের নানাভাবে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি-জামায়াত নাছিম বিএনপির নেতা খায়রুল কবির খোকনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও খোঁজ খবর নিতে গিয়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল

বিচারপ্রার্থীদের শুনানিতেই জামিন মিলছে, হচ্ছে মামলার নিষ্পত্তি

প্রতিনিধি

আবারো আদালত বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতি। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আদালত বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, দীর্ঘদিন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে শুনানিতে আইনজীবীরা অংশ না নেওয়ায় বেকায়দায় পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা। এ অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার থেকে বিচারপ্রার্থীরা নিজেরাই আদালতে শুনানি করেন। আদালতে শুনানি শেষে জামিনও পেয়েছেন দুইজন আসামি। আর আজ বুধবার দুটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে বিচার প্রার্থীদের শুনানিতেই।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, আইনজীবীরা গত ১ জানুয়ারি থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে শুনানি বর্জন করে আসছেন। এতে অসংখ্য মামলার শুনানি ব্যাহত হচ্ছে। গত ২২ কার্যদিবসে প্রায় ২ হাজার মামলার শুনানি ব্যাহত হয়। এ অবস্থায় বিচারপ্রার্থীরা নিজেরাই মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আদালতের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। গতকাল ৫৭টি মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। এর মধ্যে দুটি মামলায় আসামিরা জামিন পেয়েছেন। আজ বুধবার ৬৩টি মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে কোনো আইনজীবী আদালতের এজলাসে উপস্থিত না থাকায় বিচারপ্রার্থীরা নিজেরাই শুনানি করেন। এর মধ্যে দুটি মামলা উভয়পক্ষের সম্মতিতে সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি হয়ে যায়। এর মধ্যে একটি মামলায় বাদী মদিনা বেগম তার প্রতিবেশী খায়ের মিয়ার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা উঠিয়ে নেন। অপরটি গত ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট দায়ের করা সেতু আক্তার নামে এক নারী তার স্বামী তারেকের বিরুদ্ধে যৌতুক চাওয়ার অভিযোগে করা মামলা উঠিয়ে নেন।

এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ ফারুক বলেন, আইনে বলা আছে, কেউ যদি কোনো মামলা নিজে পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে কোনো বাধা নেই। নিজেই মামলার শুনানি করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা নিজেদের কাজ করতে আসিনি। আইনের কাজ করতে এসেছি। এজলাসে আমি উঠতে বাধ্য যদি উচ্চ আদালতের নির্দেশ বা কোনো আদেশে আমাকে বদলি করা না হয়। তবে সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় আছি।

এদিকে, আজ সকাল ১০টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের ভারপ্রাপ্ত পেশকার মো. নিশাতকে আইনজীবী সমিতির সভাপতি তানভীর ভূঞা এজলাসে এসে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ভারপ্রাপ্ত পেশকার মো. নিশাত অভিযোগ করে বলেন, আমি আদালতে কাজ করছিলাম। সকাল ১০টার দিকে আইনজীবী সমিতির সভাপতি দুইজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে আসেন। এ সময় তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, এজলাসেই থাকবো কি না? কোনো সময় কী নামতে হবে না! তিনি জজ সাহেবকে উদ্দেশ্য করে বলেন,‘হে কী পাইসে, বেশি বাড়াবাড়ি করতাছে কইলাম।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আইনজীবী সমিতির সভাপতি তানভীর ভূঞা বলেন, ‘এটা ডাহা মিথ্যা কথা। আমি আদালত চত্বর ঘুরে এসেছি কিন্তু ভেতরে যাইনি। আমাদের আন্দোলন চলমান। গতকাল আন্দোলন ঘোষণা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ, যা মিডিয়ায় প্রকাশ করার মতো নয়।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ১ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ আইনজীবীরা মামলা দাখিল করতে গেলে বিচারক মোহাম্মদ ফারুক মামলা না নিয়ে আইনজীবীদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে আইনজীবীরা অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২৬ ডিসেম্বর সমিতির সভা করে আইনজীবীরা ১ জানুয়ারি থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ ফারুকের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয়। এদিকে বিচারকের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে ৪ জানুয়ারি কর্মবিরতি পালন করেন আদালতের কর্মচারীরা। এ অবস্থায় জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ ও আদালতের নাজির মোমিনুল ইসলামের অপসারণ চেয়ে ৫ জানুয়ারি থেকে পুরো আদালত বর্জনের লাগাতার কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন আইনজীবীরা। পরবর্তীতে দফায় দফায় ৭ কর্মদিবস আদালত বর্জনের কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা।

এছাড়া বিচারকের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও অশালীন স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৪ আইনজীবীকে দুই দফায় তলব করেছে উচ্চ আদালত। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনজীবীদের সঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বৈঠকের পর দুটি আদালত বাদে বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট