1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
জুলাই অভ্যুত্থানের পর ‘নতুন বাস্তবতা’—সংবিধান বাধ্যতামূলক নয়: বদিউল আলম - NEWSTVBANGLA
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

জুলাই অভ্যুত্থানের পর ‘নতুন বাস্তবতা’—সংবিধান বাধ্যতামূলক নয়: বদিউল আলম

প্রতিনিধি

রাজধানীর গ্রিনরোডে University of Asia Pacific-এর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে একটি ‘নিউ অর্ডার’ বা নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, যেখানে সংবিধান মানতে নাগরিকরা বাধ্য নন।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) “জুলাই চার্টার এবং গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সাংবিধানিক ব্যবস্থা” শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে সংজ্ঞা অনুযায়ী একটি সফল বিপ্লব বলা যায়। তার ভাষায়, কোনো আন্দোলন সফল হলে তা বিদ্রোহ নয়, বরং বিপ্লব হিসেবে বিবেচিত হয়, এবং এর ফলে পূর্ববর্তী শাসন কাঠামো অকার্যকর হয়ে নতুন বাস্তবতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, আনুষ্ঠানিকভাবে সংবিধান বাতিল করা হয়নি। ফলে বিদ্যমান সংবিধানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা মানার বাধ্যবাধকতা নেই বলে তিনি মত দেন।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ছাত্রদের তিনটি প্রধান দাবি ছিল—বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। এসব দাবির ভিত্তিতে নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে একটি “জুলাই সনদ” প্রণয়ন করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য সৃষ্টি হয়, যার মধ্যে ৪৮টি সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত এবং বাকি বিষয়গুলো আইন বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য।

তিনি জানান, এসব প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার অংশ নেন। জনগণের এই মতামতকে সংবিধানের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কারের পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক দল, বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে সম্পন্ন হয়েছে। সব বিষয়ে একমত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত জনগণের মতামত নিতে গণভোটের পথ বেছে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এম এ মতিন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকীসহ অনেকে। আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরাও আলোচনায় অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!