ইপেপার / প্রিন্ট
চট্টগ্রামে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে, যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার জানানো হচ্ছে দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত এলপিজি, এলএনজি, ক্রুড অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি নিয়ে অন্তত ৩৩টি জাহাজ এসেছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার মালয়েশিয়া থেকে ২৭,৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের ফুয়েল ট্যাংকার বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে নোঙ্গর করেছে।
পেট্রোল পাম্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনেক চালক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করতে চাইছেন। কেউ কেউ একাধিক ফিলিং স্টেশন থেকে বারবার তেল নিচ্ছেন, যার ফলে দ্রুত মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রকৃত অর্থে বড় কোনো ঘাটতি না থাকলেও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে কৃত্রিম সংকটের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে আরও ছয়টি জাহাজ বন্দরে ভিড়ার আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে তিনটি জাহাজে এলএনজি, দুটিতে গ্যাস অয়েল এবং একটিতে এলপিজি আসবে। এই সরবরাহ নিশ্চিত হলে ফিলিং স্টেশনগুলিতে জ্বালানি পর্যাপ্ত হবে এবং গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন কমে যাবে।
ফিলিং স্টেশনের চালকরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আতঙ্কের কারণে তারা সাধারণের চেয়ে বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করতে চাইছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এই সংকট কেবল কৃত্রিম, এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।