1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ঋতুপর্ণাকে নিয়ে চিন্তায় উত্তর কোরিয়ান কোচ - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

ঋতুপর্ণাকে নিয়ে চিন্তায় উত্তর কোরিয়ান কোচ

প্রতিনিধি

নারী এশিয়ান কাপের ‘বি’ গ্রুপে খেলছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীন এবং সাবেক চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া। টুর্নামেন্টটিতে অংশ নেওয়া ১২ দলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ফিফা র‌্যাংকিং (৭) উত্তর কোরিয়ার। আজ (বৃহস্পতিবার) ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে উত্তর কোরিয়ার কোচ বাংলাদেশ নিয়ে যথেষ্ট প্রশংসা করেছেন এবং তিনজন খেলোয়াড় নিয়ে খানিকটা শঙ্কার কথাও জানিয়েছেন।

এশিয়া কাপে এবার অভিষেক হয়েছে বাংলাদেশের। অভিষেক ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলেছে পিটার বাটলারের দল। বাংলাদেশ-চীন ম্যাচ দেখে উত্তর কোরিয়া কোচের বাংলাদেশ নিয়ে উপলব্ধি, ‘আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’ বাংলাদেশের শক্তিমত্তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার কোচ, ‘তাদের আক্রমণভাগ অনেক দ্রুত। বিশেষ করে ট্রানজেকশন পিরিয়ডে (রক্ষণ থেকে আক্রমণ) তারা বেশ দক্ষ এবং তীক্ষ্ণ। সাধারণভাবে বলতে গেলে, বাংলাদেশ খুব দ্রুতগতির দল। তাই আগামী ম্যাচে আমাদের রক্ষণভাগকে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে যাতে তারা গোল করার কোনো সুযোগ না পায়।’

বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা উত্তর কোরিয়ার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এমন প্রশ্নের উত্তরে রি সন হো বলেন, ‘মূলত আমি আক্রমণভাগের তিনজন খেলোয়াড়কে বিপজ্জনক মনে করি। এর মধ্যে বিশেষ করে ১৭ নম্বর জার্সিধারী (ঋতুপর্ণা চাকমা) নিয়ে আমি সতর্ক, যিনি বাম প্রান্ত দিয়ে খুব দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন।’চীন এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন। এরপরও বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা-মনিকারা চীনের ডিফেন্স প্রাচীর প্রায় ভেঙেই ফেলেছিলেন। বিশেষ করে ১৪ মিনিটে ঋতুপর্ণার ক্ষিপ্রগতিতে বলের দখল নিয়ে দূর থেকে দুর্দান্ত শটে গোল হলে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের তালিকায় থাকত।

ঋতুপর্ণার জার্সি নম্বর বললেও অন্য দুই খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর সুনির্দিষ্ট করে বলেননি উত্তর কোরিয়ান কোচ। কিন্তু বাংলাদেশের আক্রমণভাগ নিয়ে তিনি প্রকৃতভাবেই চিন্তিত, ‘আমি একটু আগেই বলেছি তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গতি অনেক বেশি। আক্রমণ এবং রক্ষণ উভয়ক্ষেত্রেই তাদের গতি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। তাই আগামীকাল ম্যাচে এই খেলোয়াড়দের রুখতে আমাদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।’

১২ দলের এই টুর্নামেন্টে তিনটি গ্রুপ। তিন গ্রুপের শীর্ষ দুই দলের সঙ্গে তৃতীয় স্থানে থাকা দুই সেরা দলও কোয়ার্টারে উঠবে। আগামীকাল চীন ও উত্তর কোরিয়া নিজ নিজ ম্যাচে জিতলে দুই দলেরই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হবে। তখন দুই দলের মধ্যকার শেষ ম্যাচ নির্ধারিত হবে গ্রুপসেরা। এজন্য আগামীকালের ম্যাচে গোল বেশি করার প্রবণতা থাকবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে কোচ বলেন, ‘আমি পরিস্থিতি বুঝতে পারছি যে দু’টি ম্যাচের পর তৃতীয় ম্যাচটি যদি ড্র হয় তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা দল সুবিধা পাবে। কিন্তু এটি আমাদের প্রধান কৌশল নয়। আমরা গ্রুপের তিনটি ম্যাচই জিততে চাই। তাই গোল ব্যবধান বাড়িয়ে সুবিধা পাওয়ার চেয়ে প্রতিটি ম্যাচে জোর দেওয়ার দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছি।’

উত্তর কোরিয়া দল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া বিশ্বের যেকোনো দলের জন্যই কষ্টকর। বাংলাদেশ কোচেরও কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। এক ম্যাচের বেশি ভিডিও ফুটেজ পাননি। এটি উত্তর কোরিয়ার জন্য বাড়তি সুবিধা। যদিও কোচ এটি মানতে নারাজ, ‘দীর্ঘ ১০ বছর পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরে আসার কারণে আমরা অনেকটা নতুন দলের মতোই। তাই আমরা নিজেদের খুব বেশি শক্তিশালী ভাবছি না। বাংলাদেশের মতো আমরাও প্রতিটি ম্যাচকে সমান গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি। আমরা কোনো প্রতিপক্ষকেই খাটো করে দেখছি না। প্রতিটি ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’

বাংলাদেশ সচরাচর উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে খেলে না। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের ক্লাব ঢাকা আবাহনী উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল ২৫ দলের বিপক্ষে খেলেছিল। ৬ বছর পর আবার বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়া মুখোমুখি। এ নিয়ে উত্তর কোরিয়ান কোচ বলেন, ‘পূর্ব এশিয়ার তুলনায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলের মান বেশ নিচে ছিল। কিন্তু বর্তমানে আমি দেখতে পাচ্ছি যে বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দলগুলো খুব দ্রুত উন্নতি করছে। আপনি ২০১৯ সালের ম্যাচের কথা বললেন, কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি গতকালের (চীনের বিপক্ষে) ম্যাচ দেখে যা বুঝেছি, বাংলাদেশ দল অনেক বড় এবং দ্রুত উন্নতি করেছে। এখন তারা এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।’

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ খেলছে। বাংলাদেশের নাম প্রথমবার শোনার পর বাংলাদেশের ক্রিকেটের কথাই স্মরণ হয়েছিল উত্তর কোরিয়া কোচের মনে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!