বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি ঈদুল আজহার আগে ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে শপিংমল বন্ধের সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। বর্তমানে সন্ধ্যা ৭টায় শপিংমল বন্ধের যে সিদ্ধান্ত রয়েছে, তা পরিবর্তন করে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার আবেদন করা হয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ক্রেতাদের বড় অংশই অফিস শেষে সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করেন। ফলে আগেভাগে শপিংমল বন্ধ হয়ে গেলে বিক্রি কমে যাচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে চাপে পড়েছেন। সময় কমিয়ে দেওয়ার ফলে অনেক দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা কর্মসংস্থানের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মিতভাবে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ বা অবৈধ ব্যবসা সন্ধ্যার পর সক্রিয় হচ্ছে, যা নিয়মিত ব্যবসায়ীদের জন্য প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট করছে।
সংগঠনটি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও নিরাপত্তা বিধি মেনে তারা যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রস্তুত। একই সঙ্গে তারা প্রস্তাব দিয়েছে, প্রয়োজনে শপিংমল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে ১১টা করা যেতে পারে, যাতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে ভারসাম্য রাখা যায়।
সবশেষে ব্যবসায়ী সংগঠনটি অনুরোধ জানিয়েছে, ঈদ মৌসুমে ক্রেতা-বিক্রেতার সুবিধা এবং দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে শপিংমল খোলা রাখার সময় রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।