ইপেপার / প্রিন্ট
সৌদির প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে গত শুক্রবার ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ বিমান ধ্বংস হয়েছে। এই বিমানটি বোয়িং ই-৩ সেনট্রি মডেল, যা উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে আকাশে যুদ্ধবিমান ও মিসাইল শনাক্ত করতে সক্ষম। মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ১২ সেনা আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি রিফুয়েলিং বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ধ্বংস হওয়া এই বিশেষ বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাত্র ১৬টি ছিল। কয়েক দশক আগে এ ধরনের বিমান ছিল প্রায় ৩০টি। এ বিমান সাধারণ বিমান নয়; এটি আকাশ থেকে সেনা কমান্ডারদের যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক চিত্র সরবরাহ করার সক্ষমতা রাখে।
বেশি কিছু রিপ্লেস করা সম্ভব হলেও, নতুন বিমান আনতে হলে ই-৭ ওয়েজটেইল বিমান সংগ্রহ করতে হবে, যার একটির দাম ৭০০ মিলিয়ন ডলার।
হামলার ফুটেজে বোঝা গেছে যে বোয়িং ই-৩ বিমানটি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ধ্বংসের পর সামরিক তৎপরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের পুনর্বিন্যাস করতে হতে পারে।
এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সামরিক প্রতিক্রিয়া ও কূটনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা রয়েছে