1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
শবে বরাতে বিশেষ নামাজ ও রোজার বিধান - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার ৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের দাবি, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার আহ্বান নাহিদের

শবে বরাতে বিশেষ নামাজ ও রোজার বিধান

প্রতিনিধি

শাবান মাসের ১৫ তারিখকে কেন্দ্র করে অনেক মুসলমান বিশেষ নামাজ, নফল রোজা ও অতিরিক্ত ইবাদতে মনোযোগী হন। এ নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে যে, এমন আমল বা ইবাদত ইসলামে সমর্থনযোগ্য কিনা?

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পক্ষ থেকে সহিহ সূত্রে শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত বা দিনে বিশেষ কোনো নামাজ, রোজা বা নির্দিষ্ট ইবাদত করার নির্দেশনা প্রমাণিত নয়। অনেক এলাকায় যেভাবে শবে বরাতকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট আমলকে সুন্নত বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ হিসেবে প্রচার করা হয়, তার পক্ষে শক্ত দলিল পাওয়া যায় না।

তবে শাবান মাসে সামগ্রিকভাবে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার বিষয়টি সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ শাবান মাসের অধিকাংশ দিন রোজা রাখতেন।

হজরত উসামা ইবনে জায়েদ (রা.) একবার রাসুলকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি শাবান মাসে কেন এত বেশি রোজা রাখেন? উত্তরে রাসুল (সা.) বলেন, এটি এমন একটি মাস, যার প্রতি মানুষ সাধারণত উদাসীন থাকে। এটি রজব ও রমজানের মাঝখানে অবস্থিত। এই মাসেই বান্দার সব আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়। তাই আমি চাই, আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ হোক, যখন আমি রোজাদার থাকি।

এই হাদিসের আলোকে আলেমরা বলেন, শাবান মাসে যতটা সম্ভব বেশি নফল রোজা রাখা উত্তম। তবে পুরো মাস টানা রোজা রাখা শরিয়তসম্মত নয়।

এ ছাড়া আলেমরা মুসলমানদের প্রতি আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেন, এই মাসে বেশি বেশি দোয়া করা, সুস্থতা কামনা করা এবং আল্লাহর কাছে রমজান পর্যন্ত পৌঁছানোর ও রমজানের রোজা ও ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক চাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শাবান মাসের ১৫ তারিখের জন্য আলাদা কোনো বিশেষ নামাজ বা রোজা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। তবে শবে বরাতে বা লাইলাতুম মিন নিসফি শাবানে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ায় মগ্ন থাকেন অনেকে। এছাড়াও ১৪ শাবান দিবাগত রাতে ইবাদতের পরের দিন আইয়ামে বীজের রোজা রাখা যেতে পারে। হজরত আবু যার রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, হে আবু যার! যখন তুমি মাসের মধ্যে তিন দিন রোজা রাখবে; তবে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখবে। (তিরমিজি, নাসাঈ, মিশকাত)

শবে বরাতে নফল নামাজ পড়ার আলাদা কোনো নিয়ম বা নিয়ত নেই। অন্যান্য নফল নামাজ যেভাবে পড়া হয়, এ দিন রাতেও যেভাবে স্বাভাবিক নিয়মে নফল নামাজ পড়তে হবে। আলাদা করে কোনো নিয়ত করতে হবে না।

কেউ এ রাতে নফল নামাজ পড়ার আলাদা কোনো নিয়ম বা নিয়ত সাব্যস্ত করলে তা বিদয়াত বলে গণ্য হবে। কারণ, শবে বরাতে নামাজ পড়ার কোনো নিয়ম বর্ণনা করেননি রাসুল (সা.)।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!