ইপেপার / প্রিন্ট
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সহড়াতলা সীমান্ত দিয়ে আবারও ৭ জনকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় গ্রামবাসীর সতর্ক অবস্থান ও প্রতিরোধের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) রাত ৩টার দিকে ভারতের নদীয়া জেলার বজ্রনাথপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা সহড়াতলা সীমান্তের ১৪২ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলারের ৫ ও ৬ এস সাব-পিলারের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে ৭ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় সীমান্তে অবস্থান নিলে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ ও ১ জন নারী ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তারা সীমান্তের কাঁটাতারের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, বিজিবি ও গ্রামবাসীর যৌথ সতর্কতার কারণে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং ওই ব্যক্তিরা সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেনি।
সহড়াতলা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আইউব আলী জানান, বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ৮টার দিকে বিএসএফ ওই ৭ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেয়।
উল্লেখ্য, চলতি মাসে মেহেরপুর সীমান্তে একাধিকবার একই ধরনের পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। গত ৬ জুন তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে এবং ১৯ জুন বুড়িপোতা ইউনিয়নের খালপাড়া সীমান্ত এলাকায়ও এমন ঘটনা ঘটেছিল। সেসব ক্ষেত্রেও বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।