1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
মহানবী (সা.) মায়ের কবর জিয়ারত করে যা বলেছিলেন - NEWSTVBANGLA
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাঁচ বছরের অপেক্ষা, এখনো অসমাপ্ত সেতু: রশি টানা নৌকাতেই নদী পার পাঁচ গ্রামের মানুষের uxhy8x5r7hmbft2v লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধস: নিহত ১৪ শিক্ষার্থী, ভবনমালিকসহ গ্রেপ্তার ৫ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক, এখন গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় নেতৃত্বের সময়: প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে জুনে ফিরলেন ৫৮৩ বাংলাদেশি, বাড়ছে মানবপাচার নিয়ে উদ্বেগ Waarom bonusstructuren spelers aantrekken naar Cookie Casino ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আদালতে পাঠানো খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

মহানবী (সা.) মায়ের কবর জিয়ারত করে যা বলেছিলেন

প্রতিনিধি

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম মাত্র ৬ বছর বয়সে নিজের মাকে হারিয়েছিলেন। মায়ের সঙ্গে তার সুখ স্মৃতি বা স্মৃতি খুব একটা ছিল না। নবীজির জন্মের আগেই পিতা ইন্তেকাল করেন।

শিশু মুহাম্মদের জন্মের পর তার চাঁদ মাখা মায়াবী চেহারা দেখে স্বামীর দুঃখ ভুলার চেষ্টা করেন মা আমেনা। কিন্তু সন্তানকে বেশি দিন কাছে রাখতে পারলেন না তিনি। আরবের তৎকালীন রীতি মেনে দিয়ে দিতে হলো দুধ মায়ের কাছে।

মুহাম্মদ সা. দুধ মায়ের কাছে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকলেন। হালিমা (রা.) শিশু মুহাম্মদকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর মা আমেনার খুশির সীমা নেই। তাকে দেখে, তার যত্ন নিয়ে সময় কাটে মা আমেনার। এর মাঝে মা আমেনার ইচ্ছা জাগলো শিশু মুহাম্মদকে নিয়ে মদিনায় গিয়ে স্বামী কবর জিয়ারত ও মায়ের বাড়ি ঘুরে আসার।

তিনি আব্দুল মুত্তালিবকে জানিয়ে দাসী উম্মে আয়মানকে নিয়ে মদিনায় গেলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে আবওয়া নামক স্থানে এক রাতে ইন্তেকাল করেন তিনি। সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। মায়ের ইন্তেকালের সময় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। এরপর তিনি দাদা আব্দুল মুত্তালিব ও চাচা আবু তালিবের কাছে লালিত-পালিত হন।

হিজরতের কয়েক বছর পর মায়ের কবরের সেই পথ দিয়ে সাহাবিদের নিয়ে যাচ্ছিলেন প্রিয় নবী (সা.)। সারা জাহানের সর্দার নবীকুল শিরোমণি তখন কিছুক্ষণের জন্য বিমূঢ় হয়ে গেলেন। সাহাবিদের সেখানে অবস্থানের নির্দেশ দিয়ে তিনি মায়ের কবর পানে গিয়ে অঝোরে কাঁদতে লাগলেন। দীর্ঘক্ষণ মোনাজাত করে কাঁদলেন।

উপস্থিত সাহাবিরাও রাসুল (সা.)-এর এ অবস্থা দেখে কান্না সংবরণ করতে পারলেন না। যারা জানতেন যে এখানে প্রিয় রাসুল (সা.)-এর সম্মানিত আম্মাজানের কবর তারা তো বুঝলেনই, আর যারা জানতেন না তারা রাসুল (সা.)-এর জিয়ারত শেষে জিজ্ঞেস করলে রাসুল (সা.) বলেন, এটি আমার আম্মাজানের কবর। (মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক, হাদিস : ৩২৯২)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—

একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) তার আম্মাজানের কবর জিয়ারত করার জন্য গমন করেন। এ সময় রাসুল (সা.) কাঁদলেন এবং তাঁ সঙ্গীরাও কাঁদল। এরপর রাসুল (সা.) বলেন—

‘আমি আমার রবের কাছে, আমার মায়ের কবর জিয়ারত করতে চাইলে তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন। কাজেই তোমরা কবর জিয়ারত করবে। কেননা তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৩২৩৪)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!