টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টির পর অবশেষে স্বস্তির খবর মিলেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে দীর্ঘ যানজট অনেকটাই কমে এসেছে, ফলে ঘরমুখো মানুষ কিছুটা স্বস্তি নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যের পথে যাত্রা করতে পারছেন। তবে সকালজুড়ে ঝুম বৃষ্টি ও কয়েকদিনের টানা ভোগান্তি অনেক যাত্রীর জন্য ঈদযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে।
বুধবার (২৭ মে) বেলা ১১টার দিকে জেলার উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, আগের তুলনায় সড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। দীর্ঘ যানজটের পরিবর্তে এখন অনেক জায়গায় যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করছে।
গত দুই দিনে গাজীপুরের প্রায় তিন হাজার শিল্পকারখানা পর্যায়ক্রমে ছুটি ঘোষণা করায় কয়েক লাখ কর্মজীবী মানুষ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। জেলার কোনাবাড়ী, চৌরাস্তা, টঙ্গী, রাজেন্দ্রপুর, গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ী এবং কালিয়াকৈর-মাওনা এলাকা থেকে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ যাত্রা শুরু করায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল।
দুই দিনের সেই চরম চাপ কাটিয়ে বুধবার সকাল থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যদিও বৃষ্টির কারণে অনেকে ভিজে কষ্ট পেয়েছেন, তবুও বাড়ি ফেরার আনন্দে তাদের মুখে ছিল স্বস্তির হাসি।
উত্তরবঙ্গগামী পরিবহনের চালক গোলাম মুস্তফা বলেন, গত দুই দিন যানজটের মধ্য দিয়েই চলতে হয়েছে। তবে আজ গাজীপুর অংশে সড়ক অনেকটাই ফাঁকা এবং যাত্রী ও যানবাহনের চাপও তুলনামূলক কম।
অন্যদিকে যাত্রী সোহেল মিয়া বলেন, রাস্তা এখন অনেকটাই ফাঁকা। অতিরিক্ত ভাড়া বা যাত্রী নিয়ে তর্কও নেই। এমনকি পরিবহনের হেল্পাররাও যাত্রী ডেকে গাড়িতে তুলছেন।
এ বিষয়ে সাউগাতুল আলম বলেন, গাজীপুর অংশে যানজট এখন অনেকটাই কমে গেছে। বর্তমানে সড়কে তেমন কোনো ভোগান্তি নেই এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।