ইপেপার / প্রিন্ট
বিশ্বকাপে তিন ম্যাচেই পরাজয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিয়েছে পানামা। তবে হতাশাজনক ফলাফলের মধ্যেও নিজের দলের লড়াকু মানসিকতা ও পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট কোচ থমাস ক্রিস্টিয়েনসেন। একই সঙ্গে জাতীয় দলের দায়িত্বে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চান না তিনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসতে কিছুটা দেরি হয় দুই দলের কোচের। প্রায় আধা ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফিফার মিডিয়া কর্মকর্তার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন পানামার কোচ থমাস ক্রিস্টিয়েনসেন।
বিশ্বকাপে একটি গোলও করতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করলেও খেলোয়াড়দের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি।
ক্রিস্টিয়েনসেন বলেন, “তিন ম্যাচে আমরা কোনো গোল করতে পারিনি, এটা অবশ্যই হতাশাজনক। তবে আমার খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট। ইংল্যান্ডের মতো বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এবং ক্রোয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেললে অনেক কিছু শেখার সুযোগ থাকে। আমার ছেলেরা ভালো খেলেছে।”
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতা ধরে রেখে চমক দেখানোর আভাস দিয়েছিল পানামা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল হজম করে ২-০ ব্যবধানে হেরে যায় দলটি। এরপরও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে খুব বেশি হতাশ নন এই ড্যানিশ কোচ।
তিনি বলেন, “জুড বেলিংহ্যাম ও হ্যারি কেইনের মতো খেলোয়াড়দের দীর্ঘ সময় আটকে রাখা খুব কঠিন। তারপরও আমার খেলোয়াড়রা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমি মনে করি না তারা বড় কোনো ভুল করেছে। প্রতিপক্ষের মানই ছিল অসাধারণ।”
২০১৯ সাল থেকে পানামার দায়িত্বে থাকা ক্রিস্টিয়েনসেন জানান, বিশ্বকাপ শেষে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান।
তার ভাষায়, “আমি দায়িত্বে থাকব কি না, সেটা নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাই না। অনেক দিন ধরে এই দায়িত্বে আছি। পরিবারের সঙ্গে কিছু সময় কাটাতে চাই। ফেডারেশনেরও নিজস্ব পরিকল্পনা থাকতে পারে। কয়েক দিনের মধ্যেই আমি আমার সিদ্ধান্ত জানাব।”