1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ঢাকার নদ-নদী রক্ষায় ৩৭ কোটি ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন

ঢাকার নদ-নদী রক্ষায় ৩৭ কোটি ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

প্রতিনিধি

ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার পানি দূষণ রোধ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ৩৭ কোটি ডলার (প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি) ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী পরিচালকদের সভায় এই অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকার বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো নদ-নদী ও খালের পানি দূষণ কমিয়ে সেগুলোর নাব্যতা ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা এবং ৫ লাখ মানুষ উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবার আওতায় আসবে। বিশেষ করে দূষণ ও সেবা বঞ্চিত এলাকাগুলোকে এই প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেসমে বলেন, জলাশয়গুলো ঢাকার কোটি মানুষের জীবনরেখা। কিন্তু দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এই প্রকল্প ঢাকার নদী ও খালের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করবে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দা পাইপযুক্ত স্যুয়ারেজ সিস্টেমের আওতায় আছে। অন্যদিকে, ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি শহরের জলাশয় ও নদীতে গিয়ে পড়ছে। এছাড়া ঢাকার অর্ধেকের বেশি খাল বর্তমানে বিলীন হয়ে গেছে বা বর্জ্যে ভরাট হয়ে আছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের মোট রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার ৮০ শতাংশই ঢাকা ও এর আশেপাশে অবস্থিত। প্রায় ৭ হাজার কারখানা প্রতিদিন ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলছে। এর ফলে চর্মরোগ ও ডায়রিয়াসহ নানা স্নায়বিক জটিলতা বাড়ছে। এই প্রকল্পে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে শিল্পবর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) এবং পানির পুনঃব্যবহার বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার হর্ষ গোয়েল জানান, এই কর্মসূচিটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। প্রথম ধাপে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্দিষ্ট এলাকায় কাজ শুরু হবে। নদীগুলোর পানি পরীক্ষার জন্য ‘ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং’ এবং সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, রিসাইক্লিং পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে যাতে সরাসরি ড্রেন বা নদীতে কেউ বর্জ্য না ফেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!