ইপেপার / প্রিন্ট
ঢাকা-১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরিফুল ইসলাম খান মিল্টন অভিযোগ করেছেন, আসন্ন নির্বাচনে অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা নিয়ম ভেঙে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সাধারণ ভোটারদের নাজেহাল করছেন বলে দাবি করেন তিনি।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে প্রতীক বরাদ্দ ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে মিল্টন এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন।
তিনি বলেন, “আমরা আচরণবিধি মেনে উপস্থিত হয়েছি। অথচ ৮-১০ জন জামায়াত কর্মী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে এখানে এসেছেন। তারা শুরু থেকেই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। তাদের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের আইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছেন। মিরপুর পীরেরবাগ এলাকায় এক গৃহকর্তার প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় নেতা ২০-২৫ জন লোক নিয়ে গিয়ে তাকে নাজেহাল করার চেষ্টা করেন। পরে ক্ষমা চাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এসবের ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে।”
মিল্টন আরও জানান, ওইদিন সন্ধ্যায় পীরেরবাগে পুনরায় একই ধরনের হট্টগোল সৃষ্টি হলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে খবর দেন, এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি ভোটাধিকার প্রসঙ্গে বলেন, “দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আমরা প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে চাই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য। কিন্তু কমিশনকেও কঠোর হতে হবে যেন কোনো বিশেষ দল প্রভাব বিস্তার করতে না পারে। ভোটাররা যেন ভয়ভীতি ছাড়া নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেই নিরাপত্তা প্রশাসন নিশ্চিত করবে।”