ইপেপার / প্রিন্ট
রাজধানীর ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-এ ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনের পরে তোরা এখনও হলে থাকিস’—এমন মন্তব্য করে ছাত্রদল বহিরাগতদের সহযোগিতায় লতিফ ছাত্রাবাসে হামলা চালায়। তাদের দাবি, দেশীয় অস্ত্র ও রামদা নিয়ে চালানো হামলায় অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষাঙ্গনে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর সভাপতি রাকিবুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, শিবিরের কর্মীরাই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রাবাসের কক্ষে ঢুকে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তার অভিযোগ, এক কর্মীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে লতিফ ছাত্রাবাসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিল করে।
ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।