ইপেপার / প্রিন্ট
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হয়, তাকে Walter Reed National Military Medical Center–এ ভর্তি করা হয়েছে।
তবে এই দাবি পুরোপুরি গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রেসিডেন্টের অফিসিয়াল সূচিতে শুধুমাত্র ‘এক্সিকিউটিভ টাইম’ উল্লেখ থাকায় এবং জনসম্মুখে না আসায় এই জল্পনার সূত্রপাত হয়।
এ সময় সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার আগুনে ঘি ঢালে একাধিক পোস্ট, বিশেষ করে বিশ্লেষক এড ক্রাসেনস্টাইন–এর একটি পোস্ট দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, হাসপাতালের আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং প্রেসিডেন্টকে গোপনে সেখানে নেওয়া হয়েছে।
গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পরপরই হোয়াইট হাউসের র্যাপিড রেসপন্স টিম এক বিবৃতিতে জানায়, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা ব্যঙ্গ করে উল্লেখ করে, প্রেসিডেন্ট কিছু সময় জনসম্মুখে না থাকলেই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব তৈরি করা হচ্ছে।
এছাড়া হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চুং জানান, ট্রাম্প ইস্টার ছুটির সময়ও Oval Office–এ নিয়মিত কাজ করছেন এবং কোথাও চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়নি।
ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থাগুলোও বিষয়টি যাচাই করে দেখেছে, সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে কোনো অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা প্রেসিডেন্টের গাড়িবহরের উপস্থিতি দেখা যায়নি। ফলে হাসপাতালে ভর্তির দাবির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তবে ৭৯ বছর বয়সি এই নেতার স্বাস্থ্য নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও উদ্বেগ বরাবরই বেশি। সেই সুযোগেই গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।