ইপেপার / প্রিন্ট
চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলরের সঙ্গে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের মতবিনিময়
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার শিক্ষা, সংস্কৃতি ও যুব উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি সাওপিং-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের একটি প্রতিনিধি দল।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অংশ নেন। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব জুবায়ের হাসিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আহ্বায়ক মাহমুদুল আসিফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব রাশেদুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় সহকারী অর্থ সম্পাদক ফিহাদ।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি এবং তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে।
আলোচনায় দুই দেশের শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি সম্প্রসারণ, উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা বৃদ্ধি, বৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যৌথ অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে।
বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের প্রতিনিধি দল ভবিষ্যতে দুই দেশের শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি খাতে নতুন নতুন সহযোগিতামূলক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও গভীর হবে।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হলে দুই দেশের তরুণ প্রজন্ম নতুন সুযোগ ও অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
অন্যদিকে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি সাওপিংও বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও তরুণদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং যৌথ উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎ শেষে উভয়পক্ষ ভবিষ্যতে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক কার্যক্রমে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের মতবিনিময় বাংলাদেশ ও চীনের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।