1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
একটা ঘটনা ঘটার পর আমরা গাফিলতি খুঁজি: ডিবি প্রধান - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের প্রেমের টানে ধর্মান্তর, ইসলাম ছেড়ে হিন্দু হলেন যুবক, প্রেমিকা গ্রেপ্তার

একটা ঘটনা ঘটার পর আমরা গাফিলতি খুঁজি: ডিবি প্রধান

অনলাইন ডেস্ক :

ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, একটা ঘটনা ঘটার পর আমরা গাফিলতি খুঁজি। কিন্তু নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে অসংখ্য জায়গায় তো রেস্টুরেন্ট ও ভবন করা হচ্ছে। এগুলোর আমরা খোঁজ-খবর নেই না। আগে থেকে দায়িত্বরতরা যদি খোঁজ-খবর নিতো, তাহলে নিমতলী, বঙ্গবাজার, এফআর টাওয়ার কিংবা বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের ঘটনা ঘটত না। সোমবার (৪ মার্চ) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রেস্টুরেন্টের রুমগুলোর কথা কী বলবো! এমনভাবে ডেকোরেশন করেছে যে, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা রাখা হয়নি, বাতাস যদি আসা-যাওয়া করত, তাহলে বেইলি রোডে ওই ভবনে এত মানুষ মরত না। আবার সেখানকার ছাদকেও রেস্টুরেন্ট বানিয়ে ফেলা হয়েছে। সেটিও যদি খালি থাকত, তাহলে মানুষ বাঁচার হয়ত পথ পেতো বা উদ্ধারের একটা জায়গা পাওয়া যেত। মানুষের যাওয়ার জায়গাও নেই, আবার সিঁড়িও খালি নেই… সেখানে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা। এ রকম অবস্থা তো শুধু বেইলি রোডেই নয়, এ রকম ভবন তো পুরো ঢাকা শহরেই আছে। তিনি আরও বলেন, যে সংস্থা বা যার যে দায়দায়িত্ব, খেয়াল লাখা উচিত ছিল।

ওই ভবনের যিনি ম্যানেজার, তিনি কী খবর রাখছিলেন! সেটিও আমরা জানি না। এই যে ৪৬ জন মারা গেলেন, মায়ের বুক খালি হলো, একজন পুলিশ কর্মকর্তার বুক খালি হলো, তার মেয়ে মেধাবী ছাত্রী। যার সন্তান মারা যায় সেই শোক বোঝে। ডিবি প্রধান বলেন, আমরা মারা যাওয়ার পর শোক করি, কান্না করি ও জ্ঞান দেই। পরবর্তী সময়ে আরও যেসব অসংলগ্ন জায়গা বা অসংগতি আছে, সেখানে যদি নজর দিতাম, প্রতিটি সংস্থার যে দায়িত্ব… তা যদি পালন করতাম, তাহলে হয়ত নিমতলী, বঙ্গবাজার বা এফআর টাওয়ার কিংবা বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের ঘটনা ঘটত না।

ডিএমপি অসংলগ্ন বা অসঙ্গতিপূর্ণ ভবন ও রেস্টুরেন্টে নজর রাখছে উল্লেখ করে ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, আমরা এখন ডিএমপির থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় নজর রাখছি। আমরাও চাই সবার মধ্যে স্বচ্ছতা আসুক। আমাদের টিম যেসব জায়গায় কাজ করছে, দেখছে যে, ঢাকা শহরে বিভিন্ন ভবন বিশেষ করে রেস্টুরেন্টের অগ্নিনিরাপত্তা ও পর্যাপ্ত পথ আছে কি-না… দুর্ঘটনা ঘটলে জরুরিভাবে বের হওয়ার রাস্তা আছে কি-না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!