ইপেপার / প্রিন্ট
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তেহরানের সামরিক কাঠামোর আদর্শিক শাখা, যা সরাসরি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে জবাবদিহি করে। পশ্চিমা দেশগুলো এই বাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের দমন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।
আইআরজিসি ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। সদস্যসংখ্যা আনুমানিক ১.৫–২ লাখ। তারা স্থল, নৌ ও মহাকাশ সক্ষমতাসহ উচ্চ প্রশিক্ষিত, অভিজাত এবং ভালো বেতনভুক্ত। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে, বিশেষ করে জ্বালানি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগে তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বার্ষিক সামরিক বাজেট প্রায় ৬–৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট সামরিক বাজেটের ৪০%।
আইআরজিসি বিপ্লবী বাহিনী বাসিজ নামে একটি আধা-সামরিক বাহিনীর ওপর নির্ভর করে। বাসিজের সদস্যসংখ্যা ৬–৯ লাখ এবং তারা সমাজের সব স্তরে আইআরজিসির উপস্থিতি নিশ্চিত করে। বিক্ষোভ দমন আইআরজিসির মূল দায়িত্ব; তাদের নীতি “জিরো টলারেন্স”। চলমান বিক্ষোভে মানবাধিকার সংস্থা অন্তত ৭৩৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে।
আইআরজিসি ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা, অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদের জন্য এবং ইউরোপের কিছু দেশ দ্বারা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচিত। কুদস ফোর্স, আইআরজিসির বিশেষ ইউনিট, আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ নজরে রয়েছে।