মহান আল্লাহ ইহুদিদের মাঝে বহু নবী-রসুল পাঠিয়েছেন। তাদেরকে আসমানি কিতাবও দিয়েছেন। তাই তাদের বলা হয় আহলে কিতাব। কিয়ামতের আগে ইহুদিদের বিরুদ্ধে মুসলিমরা যুদ্ধ করবে। এ যুদ্ধে গারকাদ গাছ ইহুদিদের আশ্রয়
ফিলিস্তিনের গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদের নাম হলো ইবরাহিমি মসজিদ। মসজিদটি মুসলিম জাতির পিতা খ্যাত নবী হজরত ইবরাহিম আ.-এর নামের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে এতে নামাজ আদায় করে আসছেন
রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশেষ রহমত ও বরকতময় মাস। এই মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আমরা নিজেদের কুপ্রবৃত্তি দমন করতে, আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে এবং আত্মশুদ্ধি অর্জনে ব্রতী হই।
শবে কদরে শুধু এক রাতে ইবাদতের সৌভাগ্য লাভ করলে আল্লাহ তায়ালা হাজার মাসের থেকেও বেশি ইবাদতের সওয়াব দান করেন। এই রাতটি রমজানের শেষ দশকের বিজোর রাতগুলোতে অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে
পবিত্র রমজান মাসের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত রজনী হলো লাইলাতুল কদর, যা শবে কদর নামেও পরিচিত। এই রাতের পুণ্য, বরকত এতটাই বিশাল যে, পবিত্র কোরআনুল কারিমে এ সম্পর্কে একটি
ইসলামের অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো জাকাত। কোরআন মজিদের বহু স্থানে সালাত-জাকাতের আদেশ করা হয়েছে। ঈমানের পর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ইবাদত হলো- নামাজ ও জাকাত। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে,
বছরের দুই ঈদ, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ একই ধরনের ও নিয়মের। ঈদের নামাজ দুই রাকাত এবং তা ওয়াজিব। ঈদের নামাজে আজান-ইকামত নেই। যাদের ওপর জুমার নামাজ ওয়াজিব, তাদের
একজন মুমিন বান্দা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন কখন রমজান মাস আসবে। রবের রহমতের বারিধারায় নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করবেন। পরকালীন রসদ সংগ্রহ করে আল্লাহ তায়ালার প্রিয় বান্দা হবেন। আমাদের মাঝে সেই
নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকের ওপর প্রতি বছর জাকাত আদায় করা ফরজ। কারো ওপর জাকাত ওয়াজিব হবার একটি মৌলিক শর্ত হল বছর অতিক্রান্ত হওয়া। জাকাতের নেসাবের মালিক হবার পর এক বছর
পূণ্যময় রাত শবে কদর। এই রাত হাজার মাসের থেকে উত্তম। যে ব্যক্তি এই রাতে ইবাদতের সুযোগ পেল তার থেকে সৌভাগ্যবান আর কেউ নেই। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে