পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য রোজার বিধান দেওয়া হলো, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীগণকে দেওয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) অবলম্বন করতে পারো। (সূরা বাকারা, আয়াত :
প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ মারা গেলে আমলের ভিত্তিতে পরকালে তার মর্যাদা এবং স্থান নির্ধারিত হবে। যার নেক আমলের পাল্লা ভারী তিনি জান্নাতে যাবেন। যার নেক আমল কম বা যিনি আল্লাহ তায়ালাকে
ইসলামের বিধি-বিধানগুলো আল্লাহ তায়ালা প্রাপ্ত বয়স্ক নারী পুরুষের জন্য ফরজ করেছেন। ইসলামের বিধি-বিধান পালনের জন্য প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করার জন্য পরকালে জবাবদিহিতা করতে হবে
অসুস্থতা, খাবারদাবারে অনিয়ম বা যেকোনো কারণে বমি হতে পারে। রোজা রেখে কেউ মুখ ভরে বমি করলে অনেকের ধারণা তার রোজা ভেঙে যাবে এবং রোজার কাজা করতে হবে। আলেমদের মতে, তাদের
পবিত্র কোরআনে রমজানের রোজা সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়াম ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকি হও। (সূরা বাকারা, আয়াত
সারাদিনের রোজা শেষে ইফতার করেন মুসলমানেরা। এই মুহূর্তটি বরকতময়। আল্লাহ তায়ালা রহমত নাজিল করেন রোজাদারের জন্য। ইফতারের ফজিলত নিয়ে বিভিন্ন হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হাদিসের আলোক ইফতারের আগের মুহূর্তের ফজিলত ও
রমজান মাসকে আনন্দদায়ক করতে দেশের বিভিন্ন মসজিদে ইফতারের আয়োজন করা হয়। এতে এলাকাবাসীও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেন। মসজিদের ইফতারের আয়োজনগুলো অনেক সময় মসজিদ কমিটির ব্যক্তিগত উদ্যোগে হয়ে থাকে। কখনো কখনো
রোজার ফজিলত সম্পর্কে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: বনি আদমের প্রত্যেকটি কাজের সওয়াব তার নিজের জন্য; রোজা ছাড়া। রোজা আমার জন্য; আমিই রোজার প্রতিদান দিব। (সহিহ বুখারি,
আমল ইবাদতের মাস রমজান। বছরের অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় এই মাসে মুসলমানরা বেশি ইবাদত করেন। যারা অন্য মাসে নামাজ পড়েন না তাদেরকেও এই মাসে নামাজ পড়তে দেখা যায়। মসজিগুলোতে জনসাধারণের
রমজান মাস আমল ইবাদতের মাস। এই মাসে ইবাদতের জন্য অন্য সব ব্যস্ততা কমিয়ে দেন মুসলমানরা। আমল ইবাদতে কাটানোর চেষ্টা করেন। রমজানে তিনটি আমল অবশ্যই করার চেষ্টা করবেন। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ