1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ঘরের মেঝেতেই মাকে সমাহিত করলেন সুকুমার - NEWSTVBANGLA
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ৭ গোল করে আবারও মেসির পাশে এমবাপে খুলনায় ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১ ইরানে আজ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রথম জানাজা, লাখো মানুষের ঢলের প্রত্যাশা পাকিস্তানে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, বৈঠক ১১ জুলাই নতুন বাংলাদেশ গড়াই বিএনপির একমাত্র লক্ষ্য: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বাল্যবিয়ের অভিযোগে প্রি-টেস্ট পরীক্ষায় বসতে পারল না শিক্ষার্থী দম্পতি হুতিদের হুমকির জবাবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পাল্টা সতর্কবার্তা, ‘নজিরবিহীন হামলার’ হুঁশিয়ারি আগামী ৫ দিনে বাড়তে পারে পদ্মার পানি, তবে সব প্রধান নদী এখনো বিপৎসীমার নিচে মৌসুমের শেষভাগে রাজশাহীর আমের বাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী, মণপ্রতি ৩,৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আম্রপালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

ঘরের মেঝেতেই মাকে সমাহিত করলেন সুকুমার

প্রতিনিধি

ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে বন্যার পানিতে দাহ করতে না পারায় প্রিয়বালা বর্মণ নামে সত্তরোর্ধ্ব এক বৃদ্ধাকে নিজের ঘরের মেঝেতেই সমাহিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রিয়বালা বর্মণ দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যার পর বন্যার পানিতে তাদের উঠান ডুবে পানি ঘরে প্রবেশ করে। রাত বাড়ার সঙ্গে ঘরে পানিও বাড়তে থাকে। তখনও প্রিয়বালাকে নিয়ে ছেলে সুকুমার চন্দ্র বর্মণ, তার স্ত্রী ও সন্তানরা ঘরে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে মাকে পানি থেকে বাঁচাতে ঘরের মধ্যে মাচা করে সেখানে রাখেন ছেলে। খেয়ে না খেয়ে ছয় দিন কাটানোর পর মঙ্গলবার প্রিয়বালা অসুস্থ হয়ে পড়েন। দুপুরে ছেলে সুকুমার অনেক কষ্টে একটি নৌকা ভাড়া করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রিয়বালা। রাস্তা থেকে মায়ের মরদেহ নিয়ে আবার ঘরে ফিরে আসেন সুকুমার। কিন্তু এলাকার চারদিকে তখনো থইথই পানি। শ্মশানে দাহ করার মতো কোনো অবস্থা নেই। পরে নিরুপায় হয়ে ঘরের মেঝেতেই মাকে সমাহিত করেন।

এ ব্যাপারে সুকুমার চন্দ্র বর্মণ বলেন, দর্জির কাজ করে অসুস্থ মা ও পরিবার নিয়ে কোনোমতে সংসার চলতো। সেদিন মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে ঘরের মেঝেতে সমাধিস্থ করার জন্য মাটি খুঁড়া শুরু করি। ঘরের অন্য সব কক্ষে পায়ের পাতা অবধি পানি থাকলেও তখন ওই কক্ষে পানি ছিল না। মাটি খোঁড়ার একপর্যায়ে গর্তের মধ্যে পানি উঠা শুরু করে। একদিকে মাটি খুঁড়ছিলাম আরেকদিকে আমার স্ত্রী পানি সেচে ফেলছিল। পরে কোনোরকমে মাকে সেখানে সমাহিত করেছি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুকুমার আরও বলেন, এমন ভাগ্য কারো না হোক। কখনো এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে ভাবতে পারিনি। বন্যায় মরদেহ পানিতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা জানলেও কোনোভাবে সাহস করতে পারিনি। সেজন্যই পাকের ঘরের (রান্নাঘর) মেঝেতে মাকে সমাহিত করেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!