1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
লেখাপড়া শুরু করলেন ৮৭ বছরের বৃদ্ধা - NEWSTVBANGLA
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
lbwarkcqap1xha 0xde1d24f3 সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে ডিএসই-সিএসইকে পূর্ণ এখতিয়ার দিল বিএসইসি এনসিটি-সিসিটি ইজারা উদ্যোগ বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন-সমাবেশ সরকার-বিরোধী দলের সমন্বয়ে ঢাকা-১৫-এর উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার ৮ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নিরাপদে থাকার পরামর্শ নন-ক্যাডার পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত, কাগজপত্র না দেওয়ায় ১ জনের মনোনয়ন বাতিল পিএসসির বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা একক বা সমন্বিত ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা সরকারের চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিক সেবার নতুন অধ্যায়: ৮০ কোটি টাকার ওএসএস ভবন চালু, নিরাপত্তা ও সেবায় বড় পরিবর্তন সংস্কার বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

লেখাপড়া শুরু করলেন ৮৭ বছরের বৃদ্ধা

প্রতিনিধি

লেখাপড়া শেখার কোনও বয়স হয় না, সেই কথা আবার প্রমাণ করলেন বছর ৮৭-এর এক বৃদ্ধা। মিশরের বাসিন্দা ওই বৃদ্ধার ছেলেবেলা থেকেই পড়াশোনা শেখার শখ, কিন্তু পারিবারিক চাপের জন্য আলাদা করে লেখাপড়া করার সময় ও সুযোগ কোনওটাই হয়নি তাঁর।

জুবাইদা আবদেল এখন তাঁর লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সাক্ষরতার শংসাপত্র পাওয়াই এখন তাঁর জীবনের লক্ষ। শিক্ষিত হয়ে জীবনে অন্তত এক জনকে শিক্ষিত করে তুলতে পারলেও তাঁর জীবন সার্থক বলে জানিয়েছেন তিনি। মিশরের বাসিন্দাদের মধ্যে সরকারি তরফে একটি সাক্ষরতার অভিযান চালানো হয়েছিল। আর এই কারণেই বৃদ্ধ বয়সে নতুন করে শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে জুবাইদার মতো আরও অনেকেই।

আট সন্তানের মা জুবাইদা। এক ছেলে ও এক মেয়েকে হারিয়েছেন তিনি। ১৪ জন নাতিপুতি নিয়ে জুবাইদার ভরা সংসার। ছেলেবেলা থেকেই লেখাপড়া শিখতে চাইতেন তিনি। তবে তাঁর বাবার রক্ষণশীল মনোভাবের কারণে সেই সুযোগ হয়নি তাঁর। বাবার মৃত্যুর পর বোনদের জোর করে পড়াশোনা শেখান জুবাইদা। তবে নিজের জন্য ভাবার আর সুযোগ হয়নি। ১৮ বছর বয়সে বিয়ে হয় তাঁর। সন্তানদেরও তিনি জোর করে স্কুলে ভর্তি করান। ছেলেমেয়েরা যেন স্কুল থেকে পালিয়ে যেতে না পারে তার জন্য স্কুলের বাইরে জিনিসপত্র নিয়ে বসতেন তিনি। ছেলেমেয়েদের অনুকরণ করে লেখাপড়া শেখার চেষ্টা চালিয়ে যেতেন জুবাইদা।সরকারি তরফে লেখাপড়া করার সুযোগ পেয়ে বেজায় খুশি জুবাইদা। মিশর সরকারের এই উদ্যোগ ২০২২-এর জুলাই মাসে শুরু হয়। গত ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত দেশব্যাপী প্রায় ৯০০০ জন এই প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!