ইপেপার / প্রিন্ট
ভারতের রাজধানী New Delhi-তে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চার দিনের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক শেষ হয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি, পুশইন, সীমান্তে গুলি চালানোর ঘটনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও বৈঠক শেষে কোনো যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি, যা দুই দেশের সীমান্ত বৈঠকের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত সোমবার Border Guard Bangladesh-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মহম্মদ আশরাফুজ্জামান-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লিতে পৌঁছায়। তারা Border Security Force-এর মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার-সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।
মঙ্গলবার দিল্লির লোদী রোডে বিএসএফ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় বাংলাদেশ-ভারত ৫৭তম সীমান্ত শীর্ষ বৈঠক। তবে বৈঠক শেষে যৌথ আলোচনার নথিতে স্বাক্ষর হলেও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী দুই বাহিনীর প্রধানদের যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। পরিবর্তে আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে একটি লিখিত প্রেস বিবৃতি প্রকাশের কথা জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এর আগে জানিয়েছিলেন, সীমান্তে কথিত পুশইন এবং গুলি চালানোর ঘটনাগুলো বৈঠকে উত্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২,২১৬ কিলোমিটার সীমান্ত পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সংযুক্ত। সীমান্তের একটি বড় অংশ এখনও কাঁটাতারের বেড়াবিহীন রয়েছে, যা দুই দেশের জন্য নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়।
দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ডিজি পর্যায়ের বৈঠক ১৯৭৫ সাল থেকে শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সাল থেকে বছরে দুইবার করে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৫ সালের আগস্টে ঢাকায়।