ইপেপার / প্রিন্ট
যুক্তরাষ্ট্র ও Israel-এর সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৪০ দিনের সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে অবস্থিত অন্তত ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে CNN-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু স্থাপনা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো কার্যত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সিএনএনের অনুসন্ধানে স্যাটেলাইট চিত্র, মার্কিন ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা সূত্রের বক্তব্য এবং ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় উন্নত রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং যুদ্ধবিমানসহ ব্যয়বহুল সামরিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এক মার্কিন কংগ্রেস সহকারীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো অঞ্চলটিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সামরিক অবস্থানের অংশ। ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন থাকলেও কিছু স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিতে হতে পারে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের হামলায় বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে রাডার সিস্টেমগুলো, যেগুলো এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং সীমিত সামরিক সম্পদের মধ্যে অন্যতম।
আরও এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি মেরামতেই প্রায় ২০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব এখনও নির্ধারিত হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এ সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।