1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. islamkazisarmin@gmail.com : newstv : Md newstv
  3. anonnaa5481@gmail.com : newstv2232 :
  4. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
মান্দায় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে বেড়া: বিপাকে শতাধিক শিক্ষার্থী; নেপথ্যে প্রভাবশালী চক্র ও সাজানো মামলার অভিযোগ - NEWSTVBANGLA
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

মান্দায় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে বেড়া: বিপাকে শতাধিক শিক্ষার্থী; নেপথ্যে প্রভাবশালী চক্র ও সাজানো মামলার অভিযোগ

প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার যাতায়াতের পথে বেড়া দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন হুমকির মুখে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, ‘ওসি স্যার দেখা করতে বলেছেন’ এমন কথা বলে ডেকে নিয়ে মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মৈনম ইউনিয়নের ‘ডাকাতের মোড়’ এলাকায় অবস্থিত হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা ঘিরে এই লঙ্কাকাণ্ড চলছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোকাররম হোসেন আলহাজ কছির উদ্দিন চৌধুরী নূরানী হাফিজিয়া কাওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার সহকারী শিক্ষক হাফেজ মেহেদীকে জানান যে, ওসি সাহেব তার সঙ্গে জরুরি কথা বলবেন। শিক্ষকের সম্মান রক্ষার্থে তিনি স্বেচ্ছায় থানায় যান। কিন্তু থানায় পৌঁছানোর পর তাকে আর ফিরতে দেওয়া হয়নি। কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই তাকে একটি বিতর্কিত চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, জনৈক বিচারকের (জজ) টেলিফোন কল ও প্রভাবশালীদের চাপে অতিউৎসাহী হয়ে পুলিশ এই গ্রেপ্তারের নাটক সাজিয়েছে।
গত ৩০ মার্চ প্রতিপক্ষ বেলাল উদ্দিন মন্ডল গংরা ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি ও মালামাল চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। অথচ সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, এজাহারে যেসব সিমেন্টের খুঁটি ও জিআই তার চুরির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো এখনো ঘটনাস্থলেই পড়ে আছে। স্থানীয়দের দাবি, সদ্য বিদায়ী বিতর্কিত ওসি কেএম মাসুদ রানা কোনো প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বা প্রভাবশালীদের চাপে মামলাটি গ্রহণ করেছিলেন।
বর্তমানে মাদ্রাসাটির প্রধান ফটকে প্রভাবশালী পক্ষ বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখেছে। এতে করে শতাধিক বালক-বালিকা ও মহিলা শিক্ষার্থীর যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে মামলার আসামি প্রবীণ শিক্ষক হাফেজ আবু বক্কর সিদ্দিক গুরুতর অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। একদিকে তার ছেলের গ্রেপ্তার, অন্যদিকে নিজের প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সংকটে তিনি ভেঙে পড়েছেন। স্থানীয়রা জানান, বাদী পক্ষ তাদের মালিকানাধীন সম্পত্তি আগেই বিক্রি করে দিলেও এখন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মাদ্রাসার জমি দখলের পাঁয়তারা করছে।
কৌশলে ডেকে এনে গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোকাররম হোসেন সরাসরি উত্তর এড়িয়ে গিয়ে বলেন, “সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল এবং পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”
এলাকাবাসী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি একটি সাজানো এবং হয়রানিমূলক মামলা। তারা প্রশাসনের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিরপরাধ ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়া হয় এবং মাদ্রাসার প্রধান ফটক খুলে দিয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট
error: Content is protected !!